Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

যশোরে বিএনপি নেতাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ : মহাসড়ক অবরোধে বিক্ষোভ একজন পুলিশ হেফাজতে

এখন সময়: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই , ২০২৬, ০৫:০৪:৪০ এম

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নের রাজাপুর এলাকায় যশোর-মাগুরা মহাসড়কে বিএনপির এক নেতাকে প্রকাশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে দলটির নেতা-কর্মীরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ইউনুস নামে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ঈগল তেলপাম্পসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগের শিকার হাসান আলী ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা যশোর-মাগুরা মহাসড়ক অবরোধ করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। এতে প্রায় আধা ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে এবং মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিক্ষোভকারীদের দাবির মুখে ইউনুস নামে একজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে কোতোয়ালি থানায় নেওয়া হয়। হাসান আলীর অভিযোগ- তাঁর বাবা ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি খলিলুর রহমান হত্যা মামলার রায় ঘোষণার প্রাক্কালে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় আশিক ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা করেন। এ সময় শিহাব নামে আরও একজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। হাসান আলীর দাবি, আশিক তাঁর বাবার হত্যা মামলার আসামি বাছেরের ভাতিজা এবং ইউনুস তাঁর ভাই। পরিকল্পিতভাবে টাকার বিনিময়ে হামলার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এতে ইউনুসেরও ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি আশিক অতীতে ছাত্রলীগ এবং ইউনুস আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও তাঁর দাবি। বর্তমানে তাঁরা বিএনপির পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশ বলছে, এখনো ঘটনার সত্যতা তদন্তাধীন। ইছালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জীবন কুমার বলেন, রাতে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ করেছে। তবে ঘটনাস্থলে পুলিশ কোনো অস্ত্র বা আলামত পায়নি। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন,এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইউনুসকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। এদিকে স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জেরেই প্রথমে কথাকাটাকাটি এবং পরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার নেপথ্যে স্থানীয় বিএনপির আরেকটি পক্ষেরও ইন্ধন থাকতে পারে বলে দাবি করেছে সূত্রটি।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)