নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ২৮ শয্যার করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) চালুর উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ইউনিটটি পরিচালনার জন্য ২৪টি পদ সৃজনে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। হাসপাতালের ভবন আধুনিকায়ন ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হলে আগামী বছরের শুরুর দিকে ইউনিটটি চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এটি চালু হলে যশোরসহ আশপাশের এলাকার হৃদরোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে। সম্প্রতি অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন অনুবিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা শাখা-৬ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীন যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ২৮ শয্যার সিসিইউর জন্য ২৪টি পদ সৃজনে সম্মতির কথা জানানো হয়। এর মধ্যে ১৫টি ক্যাডার পদ এবং অস্থায়ীভাবে নয়টি পদ রয়েছে। সৃজনের জন্য প্রস্তাবিত পদগুলোর মধ্যে রয়েছে কার্ডিওলজি বিভাগে একজন সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও দুজন জুনিয়র কনসালট্যান্ট, অ্যানেসথেসিয়া বিভাগে একজন সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও একজন জুনিয়র কনসালট্যান্ট, একজন সহকারী রেজিস্ট্রার, একজন অ্যানেসথেটিস্ট এবং আটজন মেডিকেল অফিসার। অস্থায়ী পদগুলোর মধ্যে রয়েছে একজন নার্সিং সুপারভাইজার, দুজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব), একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি), একজন ফার্মাসিস্ট (ডিগ্রি), একজন কম্পিউটার অপারেটর, একজন স্টোর কিপার, একজন ফার্মেসি সহকারী এবং একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক। পদ সৃজনের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগ কিছু শর্ত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণের নির্দেশনা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নির্ধারিত নিয়মে বেতন স্কেল নির্ধারণ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সচিব কমিটির পরামর্শ গ্রহণ এবং ক্যাডার পদগুলোর ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নেওয়া। এ ছাড়া বিসিএস নিয়োগবিধিতে নতুন পদনাম ও নিয়োগযোগ্যতা অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি আদেশ জারি করে অর্থ বিভাগের পৃষ্ঠাঙ্কন নেওয়ার প্রক্রিয়াও অনুসরণ করতে হবে। অর্থ বিভাগের পৃষ্ঠাঙ্কনের তারিখ থেকে পদগুলো সৃজিত বলে গণ্য হবে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. আহসান কবীর বাপ্পি বলেন, সিসিইউটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর জন্য ২৪টি পদ সৃজন করা হয়েছে। ভবন আধুনিকায়নের কাজ শেষ হওয়া এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হলে আগামী বছরের শুরুর দিকে ইউনিটটি চালু করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি চালু হলে যশোরবাসী হৃদরোগের উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবেন।