Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒দুই মাসে এডিসের প্রজনন দ্বিগুণ, বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী

অভয়নগরে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ

এখন সময়: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর , ২০২৬, ০২:০৮:২৪ পিএম

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি : একদিকে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, অন্যদিকে ঘরে-বাইরে জমে থাকা পানিতে নির্বিঘ্নে বংশবিস্তার করছে এডিস মশা। ফুলের টব, ড্রাম-বালতি, নারকেলের খোসা কিংবা পরিত্যক্ত পাত্র—সামান্য জমে থাকা পানিও হয়ে উঠছে এডিসের প্রজননক্ষেত্র। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে মশাটির প্রজনন প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে অভয়নগরে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যশোরের অভয়নগরে বিভিন্ন বাজার, আবাসিক এলাকা ও ঘনবসতিপূর্ণ জনপদে জমে থাকা পানিতে মিলছে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার লার্ভা। এতে স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফুলদানি, প্লাস্টিক ও সিরামিকের টব, মাটির ও টিনের পাত্র, নারকেলের খোসা, সিমেন্টের টব, ড্রাম, জলমগ্ন মেঝে, রঙের বালতি ও প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করছে। বিশেষ করে ফুল ও ফলের নার্সারিগুলোতে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় সেখানে তুলনামূলক বেশি লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, অভয়নগরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত উপজেলায় ৪০৭ জন ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আগস্টেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬১ জন এবং জুলাইয়ে ১২৫ জন। সর্বশেষ ৩ সেপ্টেম্বর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি ছিলেন ৯০ জন। তাঁদের মধ্যে ৩০ জনই ডেঙ্গু আক্রান্ত। অর্থাৎ ওই দিন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ছিলেন ডেঙ্গু রোগী। উপজেলার চলিশিয়া ইউনিয়নের একতারপুর গ্রামের বাসিন্দা আতাউর রহমান বলেন, বর্ষার সময় বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় মশার উপদ্রব বেড়ে যায়। এসব পানি দ্রুত অপসারণ ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা জরুরি।

এ বিষয়ে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলিমুর রাজীব বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নওয়াপাড়া পৌরসভাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে। তিনি আরো বলেন, “ডেঙ্গু পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও এডিস মশার বংশবিস্তার রোধের মাধ্যমে সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এজন্য শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে এবং কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না।”

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)