Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে মণিরামপুরে শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে

এখন সময়: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর , ২০২৬, ১০:৩৬:০১ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক, মণিরামপুর : যশোরের মণিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক একরামুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি ও অশালীন আচরণের অভিযোগে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে হেফাজতে নিয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক একরামুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রীদের সঙ্গে যৌন হয়রানি ও অশালীন আচরণ করে আসছিলেন। প্রতিবাদ করলে বা মুখ খুললে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখানো হতো। এসব ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা একরামুল ইসলামের শাস্তির দাবিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করে। প্রধান শিক্ষক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। সংবাদ পেয়ে মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ সম্রাট হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাফ্ফর হোসেন এবং মণিরামপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। শিক্ষার্থীরা ইউএনও’র কাছে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) খুলনা বিভাগীয় পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করে শ্রেণিকক্ষে ফিরে যায়। মণিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ.কে.এম তছির উদ্দীন জানান, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রোববারই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউএনও মোঃ সম্রাট হোসেন বলেন, “ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। অভিযুক্ত শিক্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ ও সুপারিশ করা হয়েছে।” মণিরামপুর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)