Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

ছেলের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ করায় নিরাপত্তাহীন মহিলা ইউপি সদস্য

এখন সময়: বুধবার, ৪ মার্চ , ২০২৬, ১২:০২:২২ পিএম

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের মনিরামপুরে চাচাতো ভাইকে মারপিটের প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসীরা ইট দিয়ে আঘাত করে মাথা থেতলে দিয়েছে ইউপি সদস্য পান্না বেগমের ছেলে আরিফুল ইসলামের। অভিযোগ রয়েছে এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করায় ইউপি সদস্য পান্না বেগম ও তার পরিবার সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিনাতিপাত করছে।
এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার ঝাপা গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে আরাফাত হোসেন তার স্ত্রীকে সাথে নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার দিকে আত্বিয়বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ঝাপা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সামনে পৌছলে কামাল হোসেনের ছেলে দিপু হোসেন মোটরসাইকেল নিয়ে সামনে থেকে ব্যারিকেড দেয়। এ নিয়ে আরাফাতের সাথে দিপুর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায় রাত আটটার দিকে দিপু তার চাচাত ভাই জাহিদ এবং কামরুলকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসা মোড়ে গিয়ে আরাফাতকে মোবাইলফোন করে ডেকে এনে তার ওপর হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। এ সময় আরাফাতের চাচাত ভাই আরিফুল ইসলাম(ইউপি সদস্যের ছেলে) প্রতিবাদ করেন। পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার পর মাদ্রাসা মোড়ে একটি চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন আরাফাতের চাচাত ভাই আরিফুল ইসলাম। এ সময় কামরুলের পিতা নুরুজ্জামান দোকান থেকে আরিফুলকে ডেকে নিয়ে বাহিরে যান। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে বাহিরে নিয়ে গিয়ে নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে জাকারিয়া, জুয়েলসহ কয়েকজন যুবক আরিফুলকে মারপিট করেন। এক পর্যায় তারা আরিফুলের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন। ফলে আরিফুল অচেতন হয়ে পড়ে। পরে তাকে স্থানীয়রা উদ্ধারের পর ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় আরিফুল ইসলাম বাদি হয়ে নুরুজ্জামান, কামরুল ইসলাম, জুয়েল রানা, জাকারিয়া হোসেনসহ কয়েক জনের বিরুদ্ধে সোমবার রাতে মণিরামপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। আরিফুলের মা ইউপি সদস্য পান্না বেগম অভিযোগ করেন থানায় অভিযোগের বিষয়টি জানাজানি হলে ওই রাতেই (সোমবার) নুরুজ্জামান ও তার লোকজন বাড়িতে এসে হুমকি দেয়। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে নুরুজ্জামান জানান, ঘটনার সময় চায়ের দোকান থেকে আরিফুলকে ডেকে আনলেও তিনি মারপিট করেননি। তিনি জানান, মারপিট করেন জাকারিয়া এবং জুয়েল। ঝাপা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই আব্দুল হক জানান, তিনি চেষ্টা করছেন দুপক্ষকে শান্ত করার। মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রজিউল্লাহ খান জানান, অভিযোগটি তদন্ত চলছে। সত্যতা পেলে অবশ্যই দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)