মিরাজুল কবীর টিটো : ঈদের ছুটি শেষে সোমবার থেকে সরকারি অফিস খুলেছে। অফিস খুললেও যশোরের অধিকাংশ অফিসগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি কম ছিল। সেবা নিতে আসা মানুষগুলোরও উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। যেসব অফিসে কর্মকর্তারা এসেছে তারা একে অপরের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।
গত ২৬ মে ঈদুল আজহার কারনে মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি অফিসগুলো ঘোষণা করে। ওই দিন থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৬ দিন অফিস গুলো বন্ধ থাকার পর সোমবার ১ জুন থেকে অফিস খুলেছে। ঈদের ছুটি শেষে অফিস খুললে কর্মকর্তা, কর্মচারীদের উপস্থিতি কম ছিল।
যশোর শিক্ষা বোর্ডে গিয়ে জানা যায়-অফিসে চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ আসমা বেগম তার কক্ষে বসে কাজ করছিলেন। সচিব প্রফেসর মাহাবুবুল ইসলাম, বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর ড. কামরুজ্জামান, হিসাব অফিসার রেজাউর রহমান, সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট জাহাঙ্গীর কবিরসহ অধিকাংশ কর্মকর্তা, কর্মচারী আসেননি। তবে উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিয়ামত এলাহি, প্রশাসনিক শাখার সেকশন অফিসারসহ কয়েকজন কর্মকর্তা এইচএসসির প্রশ্ন সংকান্ত কাজে ঈদের আগে থেকে বিজি প্রেসে আছেন বলে তারা অফিসে উপস্থিত থাকতে পারেননি।
চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ আসমা বেগম বলেন-অফিস খুলেছে অনেকেই জানে না বলে অফিসে সেবা নিতে আসেনি। বেশির ভাগ কাজ অনলাইনে হয়। আমি এসে অনলাইনে কাজ করছি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অফিসে সেবা নিতে আসা শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেই।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসও ছিল ফাঁকা। সেখানে শিক্ষকদের উপস্থিতি ছিল না। শিক্ষা অফিসার ও ঈদের ছুটিতে ছিলেন বলে অফিসের সংশ্লিষ্ট জানান। তারা বলেন স্যারকে দুপুরের পরে আসতে বলেছি। অন্যদিন কোন না কোন কাজে শিক্ষকরা অফিসে আসতেন।
জেলা প্রশাসকের অফিসে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসেক হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটরা অফিসে এসেছিলেন। জেলা প্রশাসক অফিসের সকলের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তবে অন্যদিনে তুলনা অফিস খুললেও মানুষের উপস্থিতি ছিল না বললেই চলে। অথচ এ অফিসে প্রতিদিনই কোন না কোন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, কর্মচারী বা এনজিও কর্মীদের উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মতো।
একই রকম ভাবে পৌরসভা, বিআরটিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, কালেক্টরেট, বিদ্যুৎ অফিসসহ অধিকাংশ অফিস ফাঁকা ছিল।