Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒যশোর জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভা

ভৈরব নদের সীমানা মেপে অবৈধ স্থাপনার তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ

এখন সময়: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬, ০২:৩২:১০ এম

মিরাজুল কবীর টিটো: আগামী ১০ মে থেকে ১৭ মের মধ্যে যশোর জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্ভেয়ার দিয়ে ভৈরব নদের সীমানা মেপে অবৈধ স্থাপনার তালিকা প্রস্তুত করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তালিকা প্রস্তুত হওয়ার পর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কার্যক্রম শুরু করা হবে । জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার সকালে কালেক্টরেট সভা কক্ষ অমিত্রাক্ষরে অনুষ্ঠিত জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান এ নির্দেশ দেন। তিনি বলেন- জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্ভেয়ার ভৈরব নদের সীমা মেপে নির্ধারণ করবে। একই সাথে তারা নদের ধারে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনার তালিকা প্রস্তুত করে দেবেন। অবৈধ স্থাপনার তালিকা পাওয়ার পর সেগুলো অপসারণ করে ভৈরব নদের ধারে গাছ লাগানো হবে। শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে আইটি পার্ক কর্তৃপক্ষ অর্ধেকের বেশি ড্রেন নির্মাণ করেছে। বাকি অংশ ড্রেন নির্মাণের জন্য পৌরসভাকে বলা হবে। কোন নদীর পানি দূষণ, সেটা পরীক্ষা করানোর জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালককে বলেন তিনি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন- আগামী জুন মাসের মধ্যে ভৈরব নদের শহর অংশের কাজের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বর্ষার আগে শংকরপুরে যে ড্রেন মুক্তেশ্বরী নদীর সাথে সংযুক্ত রয়েছে সেই কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে শুরু করা হবে। বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে দরপত্র পাওয়ার পর নদী থেকে কাটা মাটি বিক্রির জন্য টেন্ডার দেয়া হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতাউর রহমান বলেন- বাঘারপাড়ার চিত্রা নদীর পানি পরীক্ষা করে জানা গেছে পানি দূষণমুক্ত আছে। নদীর আশেপাশের ক্লিনিকগুলোকে বর্জ্য পানি জীবাণুমুক্তকরণ শোধনাগারের নির্মাণের লক্ষ্যে নোটিশ দেয়া হয়েছে। জেলার যেসব নদীর ধারের ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নবায়ন করতে বলা হচ্ছে। বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কমলেশ মজুমদার জানান- নদী রক্ষা কমিটির আগে সভায় সিদ্ধান্ত হয় ভদ্রা নদীর উচ্ছেদের স্থান যাতে পুনরায় দখল না হয়, সেই স্থানে গাছের চারা লাগাতে হবে। এ সিদ্ধান্তের পর নদীর উচ্ছেদের স্থানে ফ্ল্যাগ ও সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। সিএস ম্যাপ অনুযায়ী নদী ধারের ২৬টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাফফাত আরা সাঈদ, চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম, কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে এলাহী, মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট হোসেন, বাঘারপাড়ার এসিল্যান্ড আল ইমরান, মণিরামপুর এসিল্যান্ড মাহিন দায়ান আমিন, সদরের এসিল্যান্ড শামীম হোসাইন, ঝিকরগাছার এসিল্যান্ড দেবাংশু বিশ্বাস প্রমুখ।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)