Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒অভিযুক্ত আসমা খাতুনের দুই স্বামী

কেশবপুরে সাংবাদিকের বাসায় অচেতন করে লুটপাটের ঘটনায় অনুসন্ধান শুরু

এখন সময়: সোমবার, ২০ এপ্রিল , ২০২৬, ১১:৫৮:৫৭ পিএম

কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুরে দৈনিক স্পন্দন পত্রিকার প্রতিনিধি সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামর বাসায় গত ১২ এপ্রিল রাতে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে লুটপাটের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন কেশবপুর থানার একটি অনুসন্ধানী দল। অনুসন্ধানে অভিযুক্ত আসমা খাতুন দুই স্বামীকে নিয়ে সংসার করছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে একজন বগুড়া শহরের কাহালু থানার মেহেদী হাসান (২৬) অপর জন যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া বাজারের সাজু আহমেদ(২৫)। এছাড়াও কেশবপুর উপজেলায় বাদুড়িয়া গ্রামে সোহাগ হোসেনের সাথে আসমা খাতুনের প্রথম বিয়ে হওয়ায় তার ঘরে দুইটি কন্যা সন্তান রয়েছে। মেহেদী হাসান ও আসমা খাতুনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগের পরে তাদেরকে খুঁজে পেতে তথ্য অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে বগুড়া শহর থেকে আসা কেশবপুর উপজেলার আসমা খাতুন ওরফে রিয়া (২৬) সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামের পরিবারের সাথে পালিত মেয়ে হিসেবে দীর্ঘদিন যোগাযোগ ছিলো। সে উপজেলার পাঁজিয়া বাজারের পাঁশে মতিয়ার রহমান সরদারের পুত্র সাজু আহমেদকে বিবাহ করে শান্তিপূর্ণ ভাবে সংসার করতে থাকে। তার জন্মস্থান বগুড়া শহরের কাহালু থানা। জন্মের পর সে পিতা মাতা হারায়। তাকে দূর্রসম্পর্কের এক আতœীয়ের হেফাজাতে লালিত পালিত হয়েছে। এসময় বগুড়া শহরের কাহালু থানার জয়সরা গ্রামের পিতা আব্দুল গফফার, মাতা চম্পা বেগমের পুত্র মেহেদী হাসান (২৭) এর সাথে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে এবং তার সাথে আসমার মোবাইলে যোগাযোগ অব্যহত রাখে। আসমা খাতুন প্রায় বগুড়া শহরে বেড়াতে যায় এবং সেই সুবাদে মেহেদী হাসান বগুড়া থেকে গত ১২ এপ্রিল তারিখে কেশবপুরে বেড়াতে এসে সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামের পৌর শহরের বাসায় অবস্থান নেয়। মেহেদী হাসান কেশবপুর আসার খবর পেয়ে ওই দিন সকালে পাঁজিয়া থেকে আসমা খাতুন কেশবপুরে সাংবাদিকের বাসায় এসে অবস্থান নেয় এবং শনিবার রাতে তারা পরিকল্পিত ভাবে আমের জুসের সাথে চেতনানাশক মিশিয়ে সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামের পরিবারের সকলকে খাওয়ানোর পরে অচেতন হয়ে পড়লে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে তারা বাসার স্বর্ণালংকর, নগদ টাকা, মূল্যবান জামাকাপড় ও জিনিস পত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময়ে ভুলক্রমে তাদের দুই জনের আইডি কার্ড ফেলে চলে যায়। তাদের বিরুদ্ধে গতকাল ১৫ এপ্রিল কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের আইডি কার্ড কেশবপুর থানা পুলিশের হেফাজতে নিয়েছেন।
এরপর আইডি কার্ডের সুত্র ধরে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে জানাগেছে বগুড়া শহরের কাহালু থানার জয়সরা গ্রামের পিতা আব্দুল গফফার মাতা চম্পা বেগমের পুত্র মেহেদী হাসান (২৭) এর সাথে ৩০/১০/২০১৫ তারিখে আদালতে এফিডেভিড এর মধ্যেমে তাদের বিয়ে হয়েছিল।
এবিষয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) জানান তাদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরে আইডি কার্ডের সুত্র ধরে আমাদের অনুসন্ধান অব্যহত রয়েছে। আসামি যেহেতু বগুড়া শহরের খুজে পেতে একটু সময় লাগতে পারে ! তারপরেও আশাকরি যদি তারা দেশে থাকে তাহলে দ্রুত সময়ের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে বলে তিনি দৈনিক স্পন্দনকে জানান।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)