Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

সিজারে ইন্টার্ন, মাথা কেটে নবজাতকের মৃত!

এখন সময়: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট , ২০২৬, ০৮:১৮:২৬ পিএম

বিল্লাল হোসেন : সিজারের আগে আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে জীবিত ছিল নবজাতক। অস্ত্রোপচারের পর বের হলো মৃত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ঘটেছে এমন ঘটনা। যা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্বজনদের অভিযোগ, সিজারের সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকের ভুলে নবজাতকের মাথায় আঘাত লাগে। তাদের দাবি, মাথা কেটে যাওয়ার কারণেই মৃত্যু হয়েছে শিশুটির। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, অস্ত্রোপচারের আগেই মায়ের গর্ভে শিশুটির মৃত্যু হয়েছিল। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে প্রসবব্যথা নিয়ে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে ভর্তি হন তাজমিরা (২০)। তিনি যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের রায়মানিক গ্রামের সাগর হোসেনের স্ত্রী। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের জন্য তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। পরে মৃত ছেলে নবজাতকের জন্ম হয়। নবজাতকের বাবা সাগর হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘১৫ আগস্ট আল্ট্রাসনোগ্রাম করালে রিপোর্টে বাচ্চা জীবিত ছিল। কিন্তু আজ সিজারের সময় ইন্টার্ন চিকিৎসকের ভুলে বাচ্চার মাথা কেটে যায়। পরে মৃত বাচ্চা বের করা হয়েছে।’ স্বজনদের অভিযোগ, নবজাতকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তারা চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ তুলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। অপারেশন কক্ষের ইনচার্জ নাজমুন নাহার বলেন, সিজারের মাধ্যমে একটি মৃত নবজাতক প্রসব হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রসূতির স্বজনরা চিকিৎসকদের দায়ী করে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তবে স্বজনদের অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আহসান কবির বাপ্পি। তিনি বলেন, ‘ইন্টার্ন চিকিৎসক দিয়ে অস্ত্রোপচার করার অভিযোগ সত্য নয়। গাইনি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. আয়েশা আক্তার ওই রোগীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করেন। সেখানে আরও তিনজন মেডিকেল অফিসার উপস্থিত ছিলেন।’ নবজাতকের মাথা কেটে যাওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে আরএমও বলেন, তিনি নিজে শিশুটির মাথার ক্ষতস্থান দেখেছেন। অস্ত্রোপচার দলের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পেরেছেন, সিজারের আগেই মায়ের গর্ভে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছিল। মৃত অবস্থায় থাকার কারণে শরীরে পচন ধরে বিভিন্ন স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, ‘ভুক্তভোগী পক্ষ লিখিত অভিযোগ দিলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)