নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর জেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সাবেক প্রচার সম্পাদক এস্কেন্দার আলী জনি মঙ্গলবার জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সোমবার সাইবার সুরক্ষা আইনের দুটি মামলার জামিন শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল এ আদেশ দিয়েছেন। গত ৬ এপ্রিল যশোর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ ও সদস্য সচিব আনছারুল হক রানা বাদী হয়ে এ মামলা করেছিলেন। এস্কেন্দার আলী জনি যশোর সদরের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম মানিকের ছেলে। মামলার অভিযোগে জানা গেছে, জনি যশোর জেলা যুবদলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি একজন মাদকাসক্ত। এহেন কর্মকাণ্ডের ফলে দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। বহিষ্কারের পর থেকে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে জাতীয়তাবাদী দলের জেলার নেতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। তাকে একাধিকবার নিষেধ করার পরও তিনি তা কর্নপাত করেননি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দলীয় নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে নানাভাবে আজেবাজে পোস্ট দিয়েই চলেছেন। গত ১ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যুবদলের আহবায়ক তমাল আহমেদ ও সদস্য সচিব আনছারুল হকের বিরুদ্ধে এস্কেন্দার আলী জনি ফেসবুক লাইভে এসে তাদের বিরুদ্ধে নানা রকম মিথ্যা, বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে কুৎসা রটাচ্ছেন। তাদের ব্ল্যাকমেইলিং এর মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করছেন। বিষয়টি তারা জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে থানায় জনির বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে আলাদা মামলা করেন। গত ২৬ মে পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে এস্কেন্দার আলী জনিকে ঢাকার তেজগাঁও এলাকা থেকে আটক করে। পরদিন তাকে ওই দুই মামলায় যশোর আদালতে সোপর্দ করা হয়। সোমবার (১ জুন) আটক ইস্কান্দার আলী জনির জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক তা মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার বিকেলে আটক জনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।