নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে পূর্ববিরোধের জেরে সনজিত দেবনাথ নামে এক ব্যবসায়ীকে মারধর করে স্বর্ণের আংটি ও নগদ ১৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া এবং পরে জিম্মি করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. লাবলু তালুকদার, সাকিবা ইসলাম নেহা ও মো. সুজনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় ২৫ অক্টোবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী। অভিযোগে সনজিত দেবনাথ উল্লেখ করেন, গত ২৪ অক্টোবর দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে কোতোয়ালি থানাধীন বাবলাতলা খালপাড়ের তেঁতুলতলা এলাকায় আনিসের বাড়িতে মালামাল সরবরাহ করতে যান তিনি। এ সময় লাবলু তালুকদার ও তার স্ত্রী সাকিবা ইসলাম নেহা তাকে দেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে তার হাতের আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের আংটি এবং নগদ ১৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, পরে তাদের ইন্ধনে সুজনসহ অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জন ঘটনাস্থলে এসে তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে জোরপূর্বক তাকে নিউমার্কেট এলাকায় নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। দাবিকৃত টাকা না দিলে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে আরও ৮ হাজার টাকা আদায় করা হয়। বাকি ১২ হাজার টাকা দাবি করে তাকে মারধরের পর ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সনজিত দেবনাথ আরও অভিযোগ করেন, লাবলু ও নেহা আগে তার দোকান থেকে বাকিতে পণ্য কিনে টাকা পরিশোধ না করে নানা টালবাহানা করতেন। বকেয়া টাকা চাইলে তাকে হুমকি দেওয়া হতো। এ নিয়ে আগেও থানায় অভিযোগ করা হলে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছিল। ঘটনার সাক্ষী হিসেবে মো. আনিস ও মো. হৃদয়ের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনাস্থলের ডাবের দোকানদারসহ উপস্থিত অন্যদের সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিযোগকারী। এ বিষয়ে অভিযোগকারী সনজিত দেবনাথ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।