বিল্লাল হোসেন : কর্মসংস্থানের আশায় যশোরে চাকরিপ্রার্থীদের ঢল নেমেছে। খুলনা বিভাগের ১০ জেলা থেকে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ অংশ নিয়েছেন চাকরির মেলায়। ৩৬টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন পদে চাকরির জন্য সরাসরি সিভি সংগ্রহ করছে। যোগ্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে ৫০০ জনকে মেলা থেকেই নিয়োগ দেওয়া হবে। পরবর্তীতে আরও ৫০০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। ‘ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়নে’ প্রতিপাদ্যে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) এ মেলার আয়োজন করেছে। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে যশোর পিটিআই প্রাঙ্গণে চাকরিপ্রার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টলে গিয়ে পছন্দের পদে চাকরির জন্য সিভি জমা দেন প্রার্থীরা। খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোরসহ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে চাকরির আশায় মেলায় ছুটে এসেছেন অনেকে। খুলনা থেকে আসা চাকরিপ্রার্থী গোলাম রসুল বলেন, ‘আমি খুলনা থেকে এসেছি। সিভি জমা দিয়েছি। আশা করছি চাকরি পাব।’ সাতক্ষীরা থেকে আসা চাকরিপ্রার্থী আনিসুর রহমান বলেন, ‘চাকরির আশায় এখানে এসেছি। সিভি জমা দিয়েছি। আশা করছি ভালো একটি সুযোগ পাব।’ ইরিনা খাতুন, রোকসানা বেগম, মহব্বত আলীসহ আরও অনেক চাকরিপ্রার্থী মেলায় এসে কর্মসংস্থানের প্রত্যাশার কথা জানান। মেলায় অংশ নেওয়া ৩৬টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে চাকরির জন্য সরাসরি সিভি জমা নেওয়া হচ্ছে। ক্ষুদ্রঋণ খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং চাকরিপ্রার্থী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরাসরি সংযোগ তৈরির লক্ষ্যেই এ আয়োজন। সকাল ১০টায় মেলার উদ্বোধন করেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, দেশে বেকারত্ব কমানোর লক্ষ্যেই এ চাকরির মেলার আয়োজন করা হয়েছে। খুলনা বিভাগের ১০ জেলা থেকে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ এতে অংশ নিয়েছেন। ৩৬টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান প্রার্থীদের সিভি সংগ্রহ করছে। মেলা থেকেই ৫০০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পরে আরও ৫০০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। মেলায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে সিভি নেওয়া হয়।