Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

যশোরে নদীর ধারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হুঁশিয়ারি ডিসির

এখন সময়: রবিবার, ২৮ জুন , ২০২৬, ১১:৪২:২৯ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিএস ম্যাপ অনুযায়ী যশোর জেলার নদ নদীর সীমানা নির্ধারণ করা হবে। এরপর নদীর ধারে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হলে উচ্ছেদ করাসহ কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রোববার সকালে কালেক্টরেট সভাকক্ষ অমিত্রাক্ষরে অনুষ্ঠিত জেলা নদী রক্ষা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন জেলা যেসব উপজেলা নদী খনন কাজ চলছে। সেসব উপজেলায় নদী খননে যদি কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে ক্ষতিপুরণ দেয়া হবে। ইতোমধ্যে কেশবপুর উপজেলা নদী খননে একজনের বাথরুম ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাকে ক্ষতিপুরণ দেয়া হয়েছে। ভৈরব নদের শহর অংশে সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ চলছে। মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী কর্মকর্তা সম্রাট হোসেন বলেন মণিরামপুরের বাকোশপোল এলাকায় দুই পাশে রাস্তার মাঝ খানে একটি ড্রেন আছে। নদী খননের কারণে ড্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি সংস্কার প্রয়োজন। পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আতাউর রহমান বলেন পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ইতোমধ্যে ৬ নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে হেলথ কার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার বিদ্যমান প্রধান প্রধান নদীর নদীর নমুনা সংগ্রহ চলমান রয়েছে। জেলা কার্যালয়ের কোন ল্যাবরেটরি না থাকায় সংগৃহিত নমুনার ফলাফলের জন্য খুলনা অফিসের উপর নির্ভর করতে হয়। নদীর তিরবর্তী হাসপাতাল ক্লিনিক ডায়গনষ্টিক সেন্টারের মনিটরিং কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অমিত্রা মন্ডল বলেন- বর্ষাকালে যশোর জেলায় ৬৫ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে লাগানো হবে ৫৮ হাজার চারা। এ সময় বক্তব্য রাখেন বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভূপালী সরকার, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ। পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কমলেশ মজুমদার।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)