নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের শার্শার কায়বা ইউনিয়নে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশের একমাত্র পানি নিষ্কাশন ড্রেন মাটি দিয়ে ভরাট করে দেওয়ার ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছে আদালত। সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখে বৃহস্পতিবার স্বপ্রণোদিত (সুয়োমোটো) হয়ে বিষয়টি আমলে নিয়ে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আছাদুল ইসলাম আগামী ১ জুলাই এরমধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার এ আদেশ দিয়েছেন শার্শা থানার ওসিকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি ফরহাদ হোসেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের রুদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আল-মাদিনাতুল কোরআনিয়া কওমি মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র ড্রেনটি মাটি দিয়ে ভরাট করে দেয়ায় দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ আশপাশের প্রায় ৪০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ড্রেনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় যাতায়াত এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাভাবিক চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে গত ২৪ জুন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদটি ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৯০(১)(সি) ধারার আওতায় আমলে নেওয়ার ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বিচারকের নজরে আসে। প্রতিবেদনে বর্ণিত ঘটনা পর্যালোচনায় ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ১২ ও ১৬ ধারা এবং দণ্ডবিধির ২৯০ ধারা অনুযায়ী অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে যৌক্তিক সন্দেহের উদ্ভব হয়েছে। ফলে বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন বলে আদালত মনে করেন। আদালত ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে আগামী ১ জুলাই-এর মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য শার্শা থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।