Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

মাগুরায় তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত

এখন সময়: বুধবার, ৩ জুন , ২০২৬, ০৫:৫৩:৩১ পিএম

এস আলম তুহিন,মাগুরা : গ্রীষ্মের জৈষ্ঠ্য মাসের মাঝেমাঝিতে তীব্র গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ঘরে ঘরে জ্বরের সংখ্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষেরা। গতকাল বুধবার সকাল থেকেই সূর্যের তীব্রতা বাড়ার ফলে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ বিপর্যয়। তীব্র গরমের কারণে শিশু,বৃদ্ধ কিশোর, কিশোরীরা , ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। যদি কেউ ঘর থেকে বের হন তবে ছাতা অথবা ইজিবাইক বা রিকশাই দূর দুরান্তে যাচ্ছেন। সকাল সাড়ে ৯ টায় মাগুরা শহরে রোদের তীব্রতা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেলা বাড়ার সাথে সাথে দুপুর ১২ টায় বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬ ডিগ্রিতে। অনেকেই রোদ থেকে বাঁচতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছেন। আবার অনেকেই স্যালাইন খাচ্ছেন। আশেপাশে পথের ধারে কেউ কেউ লেবুর শরবত খাচ্ছেন অনেকে। শিক্ষক সোলাইমান বলেন, বুধবার সকাল থেকেই রোদের ভয়াবহ তীব্রতা বেড়েছে। আমি প্রতিদিন মোটরসাইকেল নিয়ে বের হই কিন্তু আজ মোটরসাইকেল নিয়ে বের না হয়ে রিকশাযোগে শহরে এসেছি। গৃহিনী নাজমুন্নাহার রত্না বলেন,দুইদিন ধরে রোদের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আমার সন্তান জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। তাকে সুস্থতা করতে সকাল বিকাল চলে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে লোডশেডিং এর কারনে তীব্র গরমে ঘেমে যাচ্ছে সবাই। এভাবে চলতে থাকলে মানুষের জীবনে বিপর্যয় নেমে আসবে। এজন্যই বৃষ্টির প্রয়োজন একটু বৃষ্টি হলে গরমের তীব্রতা কিছুটা কমবে। কৃষক কার্তিক বিশ্বাস বলেন, গরমের কারণে পাট গাছের চারা বৃদ্ধি পাচ্ছে না। এখন পাট গাছ ঠিক মাঝামাঝিতে রয়েছে। তীব্র গরম হলে পাটগাছ বাড়বে না। কিছুদিন আগেও মাঝে মাঝে বৃষ্টি হয়েছিল হলে পাটগাছ বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল। এখন পাট গাছের জন্য প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত প্রয়োজন। গরমের কারণে মাগুরা রেড ক্রিসেট ইউনিট মাগুরা শাখার আয়োজনে শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে তীব্র গরমে পিপাসার্ত মানুষকে পানি খাওয়াতে দেখা যায়। তারা বলেন সকাল থেকে তীব্র রোদের কারণে আমরা এই স্থানে কাজ করতে পারছি না। সকাল থেকেই আমরা প্রায় শতাধিক লোককে ঠান্ডা পানি খাওয়াতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ, রিক্সাওয়ালা, ভ্যানচালক, অটোচালক, কিছু কিশোর বৃদ্ধ সবাই আমাদের পানি পান করছে। আমাদের এ কার্যক্রম কয়েকদিন যাবত অব্যাহত থাকবে। এদিকে,তীব্র গরমের কারণে শহরে সাধারণ মানুষকে কম দেখা গেছে। আর যারা অফিস আদালত, ব্যাংক, বাণিজ্যে বের হচ্ছেন তারা ছাতা মাথায় দিয়েই কর্মস্থলে যাচ্ছেন। অনেকেই বলছেন তীব্র গরমের কারণে আমাদের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এখন আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতে হবে তিনি যেন অচিরে শান্তির বৃষ্টি বর্ষণ করেন। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুপুর ২ টা ৪০ মিনিটে রোদের তীব্রতা ছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)