ফরহাদ খান, নড়াইল : ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল থেকে মৃত স্বামী ইসমাইল হোসেনের মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ি যশোরে ফেরার পথিমধ্যে অ্যাম্বুলেন্স ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে স্ত্রী জাহানারা বেগম (৫৫) নিহত হয়েছেন। এদের বাড়ি যশোর সদরের পুলেরহাট এলাকায়। এছাড়া লক্ষীপুর জেলার রামগাতি উপজেলার পূর্বচরকলাকোপা গ্রামের আব্দুল হাশিমের ছেলে অ্যাম্বুলেন্স চালক আকবার হোসেন (৩০) নিহত হয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) সকাল ৮টার দিকে নড়াইল-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কের বাদশার গ্যারেজ এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনায় ইসমাইল-জাহানারা দম্পতির ছেলে ঢাকাস্থ পুলিশ স্টাফ কলেজে কর্মরত এস আই আবু তাহেরসহ অ্যাম্বুলেন্সে থাকা পরিবারের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। অ্যাম্বুলেন্সে একই পরিবারের নয়জন আত্মীয়-স্বজন ছিলেন। তাদের বাড়ি যশোরের বিভিন্ন এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানান, গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়াগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে যশোরগামী লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মৃত ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী জাহানারা ও অ্যাম্বুলেন্স চালক আকবার নিহত হন। এছাড়া দুর্ঘটনায় আহত ইসমাইল-জাহানারা দম্পতির ছেলে এস আই আবু তাহেরসহ পাঁচজনকে নড়াইল জেলা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নড়াইল সদর থানার ওসি অজয় কুমার কুন্ডু জানান, ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসরত অবস্থায় এস আই আবু তাহেরের বাবা ইসমাইল হোসেন মঙ্গলবার মারা যান। অ্যাম্বুলেন্সে বাবার মরদেহ নিয়ে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন যশোরে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। অ্যাম্বুলেন্সে একই পরিবারের নয়জন ছিলেন। এর মধ্যে চালকসহ দুইজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। বাসের কেউ হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ দুর্ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।