চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছা উপজেলা পরিষদের সামনে একটি ভাড়া বাসা থেকে রানী খাতুন ( ২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রানী খাতুন চৌগাছা উপজেলার মশিউরনগর প্রামের মোস্তফা হোসেনের মেয়ে। তিনি ডাকবাংলো পাড়ায় সানাউল্লাহর বাড়ির দ্বিতীয়তলার ভাড়াটিয়া ছিলেন। তার স্বামী লিজন রেজা (৩৬) মেহেরপুর সদর উপজেলার টুংগী এলাকার বাসিন্দা সদর আলীর ছেলে এবং সিঙ্গাপুর প্রবাসী বলে জানা গেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে রানীর স্বামী লিজন রেজা তার শাশুড়ি আম্বিয়া খাতুনকে ফোন করে জানান-রানী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তাকে যশোর হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। পরে রানীর মা ঘটনাস্থলে এসে মেয়েকে বাসার মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে রানীকে উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এদিকে এঘটনার পর থেকে স্বামী গা ঢাকা দিয়েছে। স্ত্রীর অসুস্থতায় স্বামী লিজন পাশে না থেকে পালিয়ে যাওয়ায় রানীকে হত্যা করা হয়েছে বলে সন্দেহ করছে এলাকাবাসি। রানীর মা সরাসরি অভিযোগ করছে তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যার বিচার চান তিনি। চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাহমিদা ইয়াসমিন জ্যোতি বলেন-হাসপাতালে আনার আগেই ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন-ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। মরদেহের সুরতহাল করা হয়। ময়নাতদন্ত হয়েছে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে। নিহতের স্বামী ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।