Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

কালীগঞ্জে পেঁয়াজ সংরক্ষণের এয়ারফ্লো মেশিন নিয়ে বিপাকে কৃষক

এখন সময়: রবিবার, ১৭ মে , ২০২৬, ০৩:৩৪:৪২ এম

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ঝিনাইদহের কালেীগঞ্জে পেঁয়াজ সংরক্ষণের এয়ার ফ্লো মেশিন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। গত দু’মাসেও কৃষকের জন্য প্রকল্প থেকে বরাদ্দের টাকা পাচ্ছেনা। চলতি বছরের ১৬ মার্চ উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে বিভিন্ন গ্রামের ১৫ জন কৃষক ২০ হাজার করে টাকা দিয়ে ওই মেশিন সংগ্রহ করেন। এর আগে কৃষকদের বলা হয়েছিল মেশিন সংগ্রহণকারী প্রতিজনকে প্রকল্পের থেকে বরাদ্দকৃত ২৭ হাজার করে টাকা দেয়া হবে। এবং টাকা এক সপ্তাহের মধ্যে পাবেন বলেও জানানো হয়। কিন্তু, ওই টাকা পেতেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ভূক্তভোগী কৃষকদের।
জানা যায়, দেশের পেঁয়াজ উৎপাদন এলাকায় পরিবর্তিত জলবায়ু প্রতিকূল প্রভাব প্রশমনে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কৃষক পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের অভিযোজন প্রকল্পের অধীনে “এয়ার ফ্লো মেশিন” দেয়া হয়। যা ক্রয়ের জন্য কৃষকের ২০ হাজার টাকা ব্যায় হয়। তবে, এর আগে ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত এক প্রশিক্ষণে জানানো হয়, মেশিন গ্রহণকারী প্রতিজনকে প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে ২৭ হাজার টাকা দেয়া হবে । কিন্তু দু’মাসেও ওই বরাদ্দের অর্থ পায়নি কৃষকেরা। এতে কৃষকরা হয়রানিসহ প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলার জটারপাড়া গ্রামের কৃষক আসলাম হোসেন বলেন-ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সহযোগিতায় ২০ হাজার টাকা দিয়ে এয়ার ফ্লো মেশিন নিয়েছিলাম। সে সময় অফিস থেকে বলেছিল এক সপ্তাহের মধ্যে প্রকল্পের থেকে বরাদ্দের ২৭ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হবে। কিন্তু প্রায় দু’মাস অতিবাহিত হলেও কৃষি অফিস তাদের ওই টাকা দিতে নয় ছয় করছেন। তিনি আরো বলেন, টাকা আটকে থাকায় মেশিনটি স্থাপন করতে পারিনি। যে কারণে গত মৌসুমে পেয়াজও সংরক্ষণ করতে না পেরে অল্প দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।
ওলিয়ার রহমান নামে ডুমুরতলা গ্রামের আরেক কৃষক জানান, ২০ হাজার টাকা দিয়ে একটি মেশিন নিয়েছি। মেশিনটি স্থাপন করতে আমার আরো ছয় হাজার টাকা খরচ হয়েছে। কৃষি অফিস তাদের বরাদ্দের টাকা না দিয়ে ঘুরাচ্ছেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি বলেন, ওই প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা সরাসরি কৃষকের ব্যাংক একাউন্টে জমা হবে। কিন্তু এখনো ছাড় না হওয়াতে দেরি হচ্ছে। এতে আমাদের কোনো ত্রুটি নেই। এরপরও বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন বলে যোগ করেন তিনি।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, কৃষক হয়রানির বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমেই জানলাম। খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান তিনি।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)