সিরাজুল ইসলাম, কেশবপুর : কেশবপুর সাগরদাঁড়িতে পাঁচটি গ্রামে কালবৈশাখীর তাণ্ডব ও শিলাবৃষ্টিতে পানের বরজ ধান-পাটসহ কৃষিতে ব্যাপক বিপর্যয় ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বসতবাড়ি সহ বাগান বাড়ির ফলজ ও বনজ বৃক্ষের। খেতে কেটে রাখা বোরোধানের খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরপণের জন্য অনুসন্ধানে নেমেছে উপজেলা প্রকল্প অধিদপ্তর। স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে-গত শনিবার দুপুরে সাগরদাঁড়িতে পাঁচটি গ্রামে হঠাৎ কালবৈশাখীর তাণ্ডব ও শিলাবৃষ্টিতে পানের বরজ, ধান-পাটসহ কৃষিতে ব্যাপক বিপর্যয় ঘটেছে। লণ্ডভণ্ড হয়েগেছে ৫ টি গ্রাম। বসত বাড়ি, গাছপালা সহ বাগান বাড়ির ফলজ ও বনজ বৃক্ষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে রাস্তার উপর গাছপালা ভেঙে পড়ার কারণে দীর্ঘ সময়ে যাতায়াত বন্ধ ছিলো। স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাস্তা পরিষ্কার করার পরে রাস্তায় যাতায়াত শুরু হয়। স্থানীয় সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার সুভাষ কুমার রায় দৈনিক স্পন্দনকে বলেন-শনিবার দুপুরে কালবৈশাখীর তাণ্ডব ও শিলাবৃষ্টির কারণে কোমরপোল গ্রামের পানের বরজ, ধান-পাটসহ কৃষিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নে মধুপল্লীর ভিতরে শতবছরের পুরাতন আমগাছ ভেঙে গেছে। এলাকার ৫ গ্রাম একেবারে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। এরমধ্যে সাগরদাঁড়ি, চিংড়া, ধর্মপুর, ফতেহপুর ও বিষ্ণুপুর। সাগরদাঁড়ি এলাকার সাংবাদিক রাজ্জাক আহমেদ রাজু বলেন- কালবৈশাখীর তাণ্ডবের বৃষ্টি বজ্রবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিজনিত কারণে গাছপালা বসত বাড়ি সহ কেটে রাখা বোরোধানের খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। শীলা বৃষ্টির কারণে পাকা ধানের খেত, রোপন কৃত পাটের খেত ও পানের বরজে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বসত বাড়ির টালির ছাওনি ও টিনের ছাওনির চাল উড়ে গেছে। অনেক কৃষক তাদের পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে বা অন্য কারোর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি জড়িত মধুপল্লীর পাশে কপোতাক্ষ নদের তীরে ৩ শত বছরের পুরাতন বটগাছটি উপড়ে পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরপনের জন্য অনুসন্ধানে নেমেছে উপজেলা প্রকল্প অধিদপ্তর।