জাকির হোসেন, কুয়াদা : যশোরে কুয়াদা জামজামি গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে বিষের বোতল হাতে বিয়ের দাবিতে অনশন করেছেন এক শিক্ষার্থী।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে তিনি মণিরামপুরের জামজামি গ্রামের রনজিত দাসের ছেলে অনুপম দাস আঁখির বাড়িতে অবস্থান নেন।
জানা যায়, কেশবপুরের ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয়। সেই থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে অনুপম। কিন্তু পরবর্তীতে বিয়ের কথা উঠলে পরিবারের চাপে তিনি সম্পর্ক অস্বীকার করেন এবং অন্যত্র বিয়ের প্রস্তুতি নেয়। শিক্ষার্থীর দাবি, “অনুপম দাসের সঙ্গে আমার বিয়ে না হলে আমি এখানেই অবস্থান করব, প্রয়োজনে আত্মহত্যার পথ বেছে নেব।” এদিকে অনুপম দাস ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, অনুপমের পরিবারের দাবি, তাদের মধ্যে পূর্বে সম্পর্ক থাকলেও অভিযোগের বিষয়টি সঠিক নয়।
ঘটনার খবর পেয়ে ভোজগাতী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব তাসলিমা আক্তার, ইউপি সদস্য মাহবুবুর রহমান বিউটি, মহিলা ইউপি সদস্য বিউটি রাণী দাস, গ্রামপুলিশ সুভাস দাস ও দফাদার আব্দুল মালেক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি মীমাংসায় বার্থ হন। পরে কুচক্রী মহল মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে শিক্ষার্থীকে সেখান থেকে সরিয়ে ফেলে এবং অন্যত্র নিয়ে ২ লাখ টাকায় রফা করে। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় আলোচনা সমালোচনা চলছে।