কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুরে দুই মণ ধান বিক্রি করলেও একজন শ্রমিকের মজুরির খরচ মিলছে না কৃষকের। আকাশে মেঘের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মজুরির দাম। সোমবার কেশবপুরে ১৮শ’ থেকে ২ হাজার টাকা দরে শ্রমিকদের মজুরি বিক্রি হয়েছে।
এই চড়া মূল্যেও কৃষক শ্রমিক খুঁজে পাচ্ছেন না। পাকাধান সংগ্রহে শ্রমিকরা দিন রাত পরিশ্রম করেও বৃষ্টির আতংক বিরাজ করছে।
গত বুধবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর যে কারণে কৃষকরা তাদের ধান বাড়িতে উঠানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কেশবপুরে আবাদ হওয়া ১৪,৫৯৫ হেক্টর জমির ধানের আবাদ করা কৃষকদের মাথায় হাত উঠেছে। তারা দুশ্চিন্তায় রাতে ঘুমাতে পারছেন না।
এই সুযোগ পেয়ে শ্রমিকরা তাদের আখের গুছিয়ে নেওয়ার জন্য ৩/৪শ’ টাকার হাজিরা ১৮শ’ থেকে ২ হাজার টাকায় তুলেছে। অথচ তারা কাজ করবে মাত্র পাঁচ ঘন্টা সকাল সাতটা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত !
২ হাজার টাকা পারিশ্রমিক দিয়ে ধান বাড়ি নিয়ে কৃষকদের লাভের পরিবর্তে লোকসান গুনতে হচ্ছে। দুইমন ধান বিক্রি করলেও একজন শ্রমিকের একদিনের টাকা হচ্ছে না। তাহলে কৃষকরা বাছবে কিভাবে ? কারণ উৎপাদন খরচ, পানির খরচ, সারের খরচসহ ধান আবাদ করতে ধার দেনা করে কৃষকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তারা ধানের আবাদ করেছেন। ফলে এই বিশাল পরিমাণের শ্রমিক মজুরির কারণে জমিতে আবাদ করতে আগামীতে কৃষকরা ধান চাষে বিমুখ হয়ে পড়বে বলে অনেকে মন্তব্য করেছে।
উল্লেখ্য বাজারে নতুন মোটা ধান ৮৫০ টাকা থেকে ৯২০ টাকা মন দরে বিক্রি হচ্ছে।