কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুরে জাহানপুর বাজারের মোড় থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যন্ত সড়ক ইটের সলিং নির্মাণ কাজ পরিদর্শনকালে বাধা দিয়ে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (পিআইও)কে লাঞ্ছিত করে আটকিয়ে রাখার চেষ্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কেশবপুর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের জাহানপুর বাজারের মোড় থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত সড়কটি ইটের সলিংয়ের নির্মাণ কাজের ২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন কাজের সভাপতি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের জাহানপুর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম। কিন্তু কাজটি বাস্তবায়নে ইউপি চেয়ারম্যান নিজেই দায়িত্ব নিয়ে সম্পন্ন করেন। সড়ক নির্মাণের সময়ে নতুন ইটের সাথে পুরাতন ইট মিশিয়ে নির্মাণ কাজটি করার কারণে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে গত ১ এপ্রিল তাকে নোটিশ করা হয়। সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপির ও সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাবু ওই নোটিশের কোনো জবাব দেয়নি। প্রকল্প অফিসার নাসরিন সুলতানা জানান- গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে খুব তড়িঘড়ি করে প্রকল্পের ইটের সলিং এর কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে। কাজটি সম্পন্ন নতুন ইট দিয়ে করার কথা থাকলেও চেয়ারম্যান ক্ষমতার বলে পুরাতন ও কিছু নতুন ইট দিয়ে কাজটি শেষ করেছেন। গত বৃহস্পতিবার পরিদর্শন করতে যান উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (পিআইও) নাসরিন সুলতানাসহ অফিসের একটি টিম। এসময় সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবু ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নির্মাণ প্রকল্পের সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় রাস্তাটি পরিমাপ করতে চাইলে চেয়ারম্যানসহ তার সহযোগিরা তাকে রাস্তা পরিমাপে বাধা দেয়। প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে আপত্তি করলে চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবু পিআইওকে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মাধ্যমে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এ সময়ে পিআইওসহ সকলকে চলে আসতে বাঁধা দেওয়া হয়েছে। পরে তিনি তার ইস্কুটি রেখে পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসেন বলে তিনি দৈনিক স্পন্দনকে জানান। এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বাবু দৈনিক স্পন্দনকে বলেন- পিআইও নাসরিন সুলতানা ওই প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে টাকা দাবী করেছেন। তাকে টাকা না দেয়ার কারণে আমাদের বিরুদ্ধে এই মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন।