শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের শরণখোলায় চাঞ্চল্যকর কিশোরী ফাতেমা আক্তার ওরফে রিয়া মনি হত্যার ঘটনায় শরণখোলা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ শামিনুল হক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ২৮ মার্চ দুপুর ১ টায় শরলখোলা থানা কমপ্লেক্স ভবন মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে তিনি এ সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৪ মার্চ সকাল ছয়টায় শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের পশ্চিম খোন্তাকাটা ওমর ইবনে ইয়াসিন জামে মসজিদ এ কবরস্থান সংলগ্ন রাস্তার উপর কিশোরের রিয়া মনির মৃতদেহ দেখে স্থানীয়রা সংবাদ দিলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা আজিম শেখ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জনকে আসামি করে ২৫ মার্চ শরণখোলা থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। পরে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পুলিশ তদন্তের অংশ হিসেবে কিশোরীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের সর্বশেষ কললিষ্টের সূত্র ধরে রফিকুল ইসলাম রুবেল (৪০) নামের এক ব্যবসায়ীকে ২৫ মার্চ রাতে গ্রেফতার করে। পরবর্তী ২৬ শে মার্চ রাতে আরো দুইজনকে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরা হলেন উপজেলার উত্তর কদমতলা গ্রামের আউয়াল সর্দারের পুত্র মোঃ মিজানুর রহমান (২৩) ও উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের মোঃ আমিরের পুত্র মোঃ তুহিন (২১)। এদের বাগেরহাট কোর্টে প্রেরণ করে রিমান্ডের আবেদন করে। এদের মধ্যে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে বলেন এই হত্যাকাণ্ডের সাথে সে সম্পৃক্ত ছিল। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাকু উদ্ধার করে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শরণখোলা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ সামিনুল হক আরো বলেন, হত্যা মামলার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করে বাগেরহাট জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া তিনি আরো বলেন এই হত্যাকাণ্ডের সাথে আরো যারা জড়িত অচিরেই তাদেরকে গ্রেফতার করতে পারবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।