নিজস্ব প্রতিবেদক : এনজিও থেকে ঋণ পাইয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নগদ টাকা ও ব্যাংকের সই করা চেক আত্মসাতের অভিযোগে মহাপ্রতারক মাহমুদা জামানের বিরুদ্ধে আদালতে আরও একটি মামলা হয়েছে। যশোরের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহেদ আহমদ অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার আদেশ দিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসিকে। বুধবার যশোর শহরের ঘোপ জেলরোড এলাকার ইমরান শিকদারের স্ত্রী তানজিনা রহমান বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন।
আসামি মাহমুদা জামান যশোর সদরের বসুন্দিয়া সাদুল্যপুর গ্রামের ডাক্তার মনসুর আলীর মেয়ে।
সম্প্রতি মাহমুদা জামানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় একটি ও আদালতে আরও ৮ মামলা হয়েছে।
মামলার আভিযোগে জানাগেছে, আসামি মাহমুদা জামান নিজেকে ব্যাংক কর্মকর্তা, এনজিওর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তানজিনা রহমানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। তিনি তানজিনাকে একটি এনজিও থেকে ৫০ লাখ টাকা ঋণ করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। এর বিনিময়ে খরচ বাবদ তানজিনার কাছ থেকে আসামি মাহমুদা গত ২৮ জুন নগদ ৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ৪টি সই করা ব্ল্যাঙ্ক চেক গ্রহণ করেন।
নির্ধারিত দুই মাস পার হওয়ার পরও ঋণ করিয়ে না দিতে পেরে মাহদুমা নানা টালবাহানা শুরু করেন। তানজিনা রহমান টাকা ও চেক ফেরত চাইলে আসামি মাহমুদা তার নামে চেক ডিজঅনারের মামলা দেয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে আসামি একটি চেকে মোটা অঙ্কের টাকা বসিয়ে ব্যাংক থেকে ডিজঅনার করে ঢাকার আদালতে মিথ্যা মামলা করেন। মাহমুদা জামান একজন পেশাদার প্রতারক। তার বিরুদ্ধে এর আগে যশোর ও ঢাকার বিভিন্ন আদালতে এবং থানায় একাধিক প্রতারণা ও চেকের মামলা রয়েছে। আসামি মাহমুদা জামানের কাছ থেকে টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে মামলা করেছেন।