ডুমুরিয়া প্রতিনিধি : মুহূর্তের মধ্যে হত দরিদ্র দুটি পরিবারের বসতবাড়িসহ সর্বস্ব আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এক কাপড়ে অনাহারে দু’দিন পার হয়েছে তাদের। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা রাতে ডুমুরিয়া উপজেলার খর্ণিয়া ইউনিয়নের আঙ্গারদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে দুটি বসতবাড়িসহ তাদের সবকিছু পুড়ে ভস্মীভূত হয়। জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকে রান্নার কাজ করছিলেন গৃহকত্রী রুমা। স্বামী কৃষ্ণপদ কুন্ডু তখন বাজারে ছিলেন। বারান্দায় তাদের শিশু অমিত(৮) খেলছিলো। কিছুক্ষণের মধ্যে শিশুটি মাকে বলে ছোট কাকার ঘরে এতো আলো কেন? মা উঠে এসে দেখে আগুন লেগেছে। রান্না ফেলে শিশুকে নিয়ে বাহিরে চলে আসে। মুহূর্তের মধ্যে দুটি বসতবাড়ি, রান্নাঘরসহ বাড়ির সকল আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কৃষ্ণের বাবা গোপিনাথ কুন্ডু ও ছোট ভাই রাজু ও তার দুই ভাইপো খড়িয়ার একটি ইটভাটার শ্রমিকের কাজ করে। ঘটনার দিন তারা ইট ভাটায় ছিলেন। আগুনের সুত্রপাত ঘটে রাজুর বৈদ্যুতিক মিটার থেকে। কৃষ্ণপদ জানান, তাদের বসতবাড়ি, রান্নাঘরসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অন্যের কাপড়-চোপড় পরে দু’দিন রয়েছে তারা। সেদিন থেকে এখনো বাড়িতে রান্নাও করতে পারেনি ওরা। এদিকে ঘটনার খবর শুনে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজ, স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল কাশেমসহ অনেকেই দেখতে যান পোড়া বাড়িটি। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন তারা। সোনার গহনাগুলোও পুড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। খুঁছে পায়নি। সবমিলে দু’পরিবারের ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তিন শতাংশ জায়গার উপর হত দরিদ্র দুই ভাই টিন সেডের বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন।