Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

টানা তীব্র শীতের কবলে যশোর, দুর্ভোগে প্রাণিকুল

এখন সময়: বুধবার, ৭ জানুয়ারি , ২০২৬, ১২:৪৫:২১ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : সোমবারও ছিল কুয়াশা আর মেঘে ঢাকা সূর্য। এদিন সূর্য কিছু সময়ের জন্য উঁকি দিলেও মেঘে মিলিয়ে যায়। সূর্যের লুকোচুরি খেলা আর হিমেল হাওয়ায় শীতের প্রকোপ বেড়েছে বহুমাত্রায়। টানা দশদিন ধরে শীতের কবলে রয়েছে যশোর। সোমবার (৫ জানুয়ারি) যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত দশদিন ধরেই যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে।
কিন্তু উত্তাপহীন রোদের সঙ্গে উত্তরের বাতাস যুক্ত হওয়ায় হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে।
যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রোববার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগে শনিবার ভোরে যশোরে সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। আর শুক্রবার ভোরে সর্বনিম্ন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার এই তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই দু’দিনই তাপমাত্রা ছিল দেশের সর্বনিম্ন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪ দশমিক ১ ডিগ্রি থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে নেমে আসলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ এবং তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
যশোরে এখন প্রতিদিন রাত থেকেই কুয়াশার জাল ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। রোববার দিনভর প্রকৃতি কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল। সোমবার সকালেও কুয়াশায় ঘিরে ছিল চারদিক। সকালে কুয়াশা ভেদ করে সূর্য উঠলেও ক্ষীণ আলো কুয়াশাকে ভেদ করে গায়ে উষ্ণতা জাগাতে পারেনি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা সরে রোদের দেখা মিলেছে। কিন্তু রয়ে গেছে শীতের আবহ। ফলে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে।
শহরের লালদীঘির পাড়ে আসা শ্রমজীবী বাবুল আক্তার জানান, প্রতিদিনি আমরা এখানে আসি বিভিন্ন স্থানে শ্রম দেবার জন্য। কিন্তু কয়েকদিন ধরে টানা শীতের কারণে কাজ পাচ্ছিনা। আবার কাজ পাওয়া গেলেও প্রচণ্ড শীতের মধ্যে কাজ করা কষ্টকর ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)