নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা কীর্তিপুর গ্রামের মশিয়ার রহমানের মেয়ে আবু হুরাইরা মিম হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি মহাসিন আলম বাদশা ওরফে মৈশ্যকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছে জনগণ। গত শুক্রবার দুপুরে তাকে গণপিটুনি দিয়ে ঝিকরগাছা থানাা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। মৈশ্যা উপজেলার মল্লিকপুর গ্রামের নাসির আলম বাদশার ছেলে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঝিকরগাছা থানার এসআই গোলাম কিবরিয়া হাসান জানিয়েছেন, গত ২০ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিমি পিতার বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। পরের দিন কীর্তিপুর গ্রামের মোতলেব হোসেনের বাশঁবাগানের মধ্যে থেকে মিমের মরদেহ উদ্ধার হয়। মরদেহের মাথার পিছনে, ভ্রুতে ও চোখের নিচে কাটা দাগ ছিলো। এছাড়া মরদেহ গলায় ফাঁস দেয়া কালশিরা দাগ ছিলো। এই ঘটনায় মিমের ভাই মুশফিকুর রহমান ফাহাদ থানায় একটি মামলা করেন। তিনি আরো বলেছেন, মামলাটি তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ঘটনার রাতে মিমের সাথে আলাপচারিতায় ছিলো মৈশ্য। যা অনেকে প্রত্যক্ষ করেছে। এই কারনে এই হত্যার পেছনে মৈশ্যার হাত থাকতে পারে বলে পুলিশ আগে থেকে ধারনা করছিল। তাকে আটকের চেষ্টা চলছিল। শুক্রবার জনগণ তাকে আটক করে পুলিশে হাতে সোপর্দ করে। পুলিশ আরো জানিয়েছে, মৈশ্যর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক, মারামারি ও মাদক আইনে তিনটি মামলা চলমান আছে।