খুলনা প্রতিনিধি : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত হয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) বিকাল ৫টায় এ উপলক্ষ্যে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্দির প্রাঙ্গনে ফিতা কেটে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। এরপর শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক প্রদক্ষিণ করে হাদী চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খানসহ বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় উপাচার্য বলেন, পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুগে যুগে বিভিন্ন ধর্মের মহান ব্যক্তিবর্গ আবির্ভূত হয়েছেন; যাঁরা মানবকল্যাণ ও শান্তির বার্তা ছড়িয়ে গেছেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। এখানে সবাই নিজ নিজ ধর্ম স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করতে পারে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই সম্প্রীতির ওপর ভিত্তি করে খুলনা বিশ^বিদ্যালয় তথা বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩তম আবির্ভাব উপলক্ষ্যে গৃহীত অনুষ্ঠানসমূহ পালনে সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপ-উপাচার্য বলেন, মানব কল্যাণে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মনীষির আগমন ঘটেছে। তেমনিভাবে সমাজের অন্যায়, অবিচার নির্মূলের লক্ষ্যেই শ্রীকৃষ্ণের আর্বিভাব। প্রতিবারের ন্যায় এবারও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী আয়োজিত হচ্ছে এবং তা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন উপ-রেজিস্ট্রার দীপক চন্দ্র মন্ডল এবং পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী পর্ণব। মন্দির কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. উত্তমকুমার মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর কুমার সাহা। অনুষ্ঠানসমূহে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।