মিরাজুল কবীর টিটো : টানা বৃষ্টিতে যশোর উপশহরের ১৬ রাস্তাসহ অধিকাংশ রাস্তা বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। রাস্তার মাঝ থেকে খোয়া পিচ উঠে গিয়ে ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে গর্তে পানি জমে থাকায় চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসির। অথচ হাউজিং এস্টেটের উদ্যোগে রাস্তার সংস্কার না করায় এলাকাবাসির মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। এলাকা ঘুরে দেখা গেছে-উপশহর ক্লাব মোড়ের পূর্ব পাশের রাস্তা দিয়ে পার্কে যাওয়া যায়। সেই সাথে ডি ও সি ব্লকের মানুষের আসা যাওয়া করতে হয়। এ রাস্তা বেশির ভাগ অংশে অনেক ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তায় পানি জমে আছে। গর্ত ও পানি জমে থাকায় রাস্তা চলাচল করতে দুই ব্লকের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ডিব্লকের বাসিন্দা শাহিন জানান, রাস্তায় গর্ত হওয়ায় আমাদের চলাচল করা কষ্ট কর হয়ে পড়েছে। অথচ হাউজিং এস্টেট রাস্তা সংস্কারের কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না। তাদের কাজ কি? একই কথা বলেন আশরাফুর রহমান আশা নামে আরেক বাসিন্দা। শুধু উপশহর ক্লাবে পূর্ব পাশের রাস্তা নয়, ক্লাবের পশ্চিম পাশের রাস্তা, বাবলা তলা বাজারে প্রবেশের রাস্তা, বিব্লক বাজারের রাস্তা, বি ব্লক বাজার থেকে সি ব্লক যাওয়ার রাস্তা, উপশহর টিএণ্ডটি অফিস থেকে বিআরটিসি অফিস যাওয়ার রাস্তা, নিউটাউন বালিকা বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশ থেকে খাজুরা বাসস্ট্যান্ড যাওয়ার রাস্তা, সারথী মিল থেকে বিরামপুর যাওয়ার রাস্তা, উপশহর কলেজের সামনের রাস্তা, উপশহর মহিলা কলেজের সামনে ও পশ্চিম পাশের রাস্তা, বাবলাতলা বাজার থেকে উপশহর ক্লাবে যাওয়ার রাস্তা, ই ব্লকের রাস্তা, উপশহর পার্কের পূর্ব পাশের রাস্তা, সারথী মিলের সামনের রাস্তা, শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজের পূর্ব পাশের রাস্তাসহ অধিকাংশ রাস্তা। বি ব্লক বাজারে দোকানদার বাবলু জানান, বিব্লক বাজার অনেক পুরাতন। অথচ এ বাজারের রাস্তা খারাপ। বৃষ্টিতে গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় জমে থাকায় পথচারীদের চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে। এরাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে ঘ্যাস ফেলে রাস্তায় পানি জমা কিছুটা দুর করেছেন। নিউটাউন বালিকা বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশ থেকে খাজুরা বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার রাস্তা ২০ বছরেও হাউজিং এস্টেট সংস্কার করেনি বলে ব্যবসায়ীরা জানান। এর আগের সরকারের আমলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিজ উদ্যোগে রাস্তায় ইটের সলিং করে। এরপর রাস্তা সংস্কার না করাই রাস্তায় কাদাপানি জমে থাকায় এলাকাবাসির চলাচলে দুর্ভোগ আরো বেড়েছে। অন্যান্য রাস্তার কারনেও এলাকাবাসির চলাচলে দুর্ভোগের শেষ নেই। শিক্ষার্থীদেরও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসাযাওয়ার ক্ষেত্রে ও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এ ব্যাপারে হাউজিংয়ের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আশিক আহমেদ সাকিব বলেন ফান্ড না থাকায় উপশহরের রাস্তা করা যাচ্ছে না।