ক্রীড়া প্রতিবেদক : তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়েই টুর্নামেন্ট শেষ করল ইংলিশরা। এই ম্যাচ নিয়ে দুই দলের কারও তেমন আগ্রহ ছিল না। ফ্রান্স কোচ দিদিয়ে দেশঁ নিজেই সেটা স্বীকার করেছিলেন। সেমিফাইনালে হেরে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভাঙার পরই এই ম্যাচে নামতে হয় দলগুলোকে। তবে মাঠের লড়াইয়ে আগ্রহের কোনো কমতি দেখা যায়নি। ম্যাচ শুরুর মাত্র আড়াই মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ফ্রান্সের দেজিরে দুয়ের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে আক্রমণে ওঠেন ডেকলান রাইস। তার শট গিয়ে জড়ায় জালে। এরপর একটা গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয় বুকায়ো সাকার। তবে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ইংল্যান্ডকে। ১৭ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে দ্বিতীয় গোল করেন এজরি কনসা।৩৭ মিনিটে তৃতীয় গোল হজম করে ফ্রান্স। মার্কাস রাশফোর্ডের শট প্রথমে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক মাইক মেনিয়ঁ। কিন্তু ফিরতি বলে গোল করেন সাকা। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই চতুর্থ গোল হজম করে ফ্রান্স। মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো একটা সাধারণ পাস ফরাসি দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক গলে পৌঁছে যায় সাকার কাছে। প্রথম ছোঁয়াতেই গোল করেন তিনি। বিরতির আগেই ৪-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে ফ্রান্স। বিরতির পর জেগে ওঠে ফ্রান্স। মিশেল অলিসের পাস থেকে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে। এরপর প্রতি-আক্রমণ থেকে গোল করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। ব্যবধান নেমে আসে ৪-২ এ।কিছুক্ষণ পর আবারও গোল করেন এমবাপে। কামব্যাকের আশা জাগে ফ্রান্সের। তবে পেনাল্টি থেকে গোল করে আবার ব্যবধান বাড়ান সাকা। এই গোলে হ্যাটট্রিক পূর্ণ হয় তার। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-৩। যোগ করা সময়ের ঠিক আগে গোল করেন জুড বেলিংহাম। রক্ষণ থেকে বল কেড়ে নিয়ে একা কয়েকজনকে কাটিয়ে গোল করেন তিনি। ইংল্যান্ড এগিয়ে যায় ৬-৩ গোলে। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে আরেকটি গোল করে ফ্রান্স। উপামেকানোর পাস থেকে গোল করেন উসমান দেম্বেলে। তবে শেষ পর্যন্ত ৬-৪ ব্যবধানেই শেষ হয় ম্যাচ। তৃতীয় হয়ে বিশ্বকাপ শেষ করে ইংল্যান্ড। এখন অপেক্ষা ফাইনালের। সোমবার রাত ১টায় মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা।