Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒ভাঙা ব্রিজে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাজ

বর্ষা মৌসুমে ২ হাজার বিঘা ফসলি জমি জলাবদ্ধতার আশঙ্কা

এখন সময়: সোমবার, ৬ এপ্রিল , ২০২৬, ১১:১৮:৪৭ পিএম

অসীম মোদক, মহেশপুর : জীবননগর-চুয়াডাঙ্গা থেকে যশোরগামী পণ্য বোঝাই যানবাহন চলাচলের পাইপাস সড়ক হিসাবে পরিচিত মহেশপুর পৌর এলাকার পাতিবিলা গ্রামের সড়ক। প্রতিদিন শত শত ভারী যানবাহনসহ পথচারীরা চলাচল করে এই সড়ক দিয়ে। ভারী যানবাহন চলাচলের কারনে পাতিবিলা খালের উপর নির্মিত ব্রিজটি ভেঙে নিচে পরে যায়। ফলে বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচলসহ স্থানীয়দের চলাচলের রাস্তা। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় পাতিবিলা গ্রাম বাসিকে। চড়কতলা মোড়ের সাপ্তাহিক হাটে আসা যাওয়া করতে হয় ১ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা ব্রিজ মেরামতের চেষ্টায় বিভিন্ন দপ্তরে ধরনা দিয়েও কোন লাভ না হওয়ায় অবশেষে ভাঙ্গা ব্রীজের স্থানে মাটি ভরাট করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। এতে খালের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন এভাবে চললেও কর্তৃপক্ষের উদাসি মনমানসিকতায় পাতিবিলা, বগা, গাড়াবাড়িয়া গ্রামের কৃষকদের কপালে ফেলেছে চিন্তা ভাজ। যতই এগিয়ে আসছে বর্ষার দিন ততই চিন্তা বেড়ে যাচ্ছে কৃষকদের। ভাঙ্গা ব্রীজটি দ্রত সংস্কার করা না হলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতায় প্রায় ২ হাজার বিঘা ফসলি জমি তলিয়ে যাবে বলে জানান কৃষকরা।
স্থানীয়া জানান, দ্রত যদি ব্রিজটি নতুন ভাবে তৈরি/সংস্কার করা না হয় তাহলে এই এলাকার প্রায় ২ হাজার বিঘা ফসলি জমি জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যাবে। কারণ পানি নিস্কাশনের এক মাত্র যায়গা হচ্ছে খাল, বর্ষা মৌসুমে খাল দিয়ে এই এলাকার সব পানি কপোতাক্ষ নদীতে নামে। ব্রিজ ভেঙে নিচে পড়ে যাওয়ায় খালের মুখও বন্ধ হয়ে গেছে।
কৃষক আরশেদ আলী জানান, চেচোগাড়ি ও গোবড়ার বিলের যত পানি খাল দিয়ে নামে। ব্রিজ ভেঙে খালের মুখ বন্ধ থাকায় আমরা চিন্তায় আছি। বর্ষার আগে ব্রিজটি তৈরি না হলে হয় যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে, না হয় জলাবদ্ধতায় ফসলি জমি পানির নিচে থাকবে।
স্থানীয় কৃষক হজোমোল্লা বলেন, চাষী জমি গুলো বিল এলাকায় হওয়ায় আমাদের যতচিন্তা। উঁচু স্থানের সবপানি বিল দিয়ে নামে আর এই বিলের জমিতে আমাদের চাষা আবাদ। খাল দিয়ে যদি পানি বের হতে না পারে তাহলে প্রায় ২ হাজার বিঘা জমির ফসল নষ্ঠ হবে আসছে বর্ষায়।
সাবেক পৌর কাউন্সিলর শেখ হাসেম আলী পাঠান বলেন, খালের মুখ বন্ধ হয়ে থাকা ভাঙা ব্রিজ টা আসলেই চিন্তার কারন, এই মাঠে আমাদেরও চাষ আছে। বর্ষার আগে কোন ব্যবস্থা করা না হলে হয় যানবাহন চলচলা কারীরা দুর্ভোগে পড়বে, না হয় ফসলি জমি জলাবদ্ধতায় থাকবে। তিনি আরও বলেন আমিও বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করেছি যাতে বর্ষার আগেই ব্রীজটার কোন ব্যবস্থা করা যায় কিন্তু এর সম্ভাবনা দেখছি না।
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) শাহরিয়ার আকাশ বলেন-এটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তা আমরা চাইলেই অনেক কিছু করতে পারি না। ব্রিজটা এমনভাবে ভেঙেছে যা নতুনভাবে তৈরি করা ছাড়া বিকল্প কোন পথ নাই। ব্রীজ নির্মাণের প্রাথমিক তথ্যে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন-বিষয়টি যেহেতু আমাকে অবগত করলেন সরজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)