নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বাড়ছে। সংক্রামক ওয়ার্ডে ২ শয্যার বিপরীতে ৮ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। শয্যার অভাবে শিশুরা মেঝেতে চিকিৎসাধীন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, হামে আক্রান্তদের সংখ্যা এভাবে বাড়তে থাকলে শয্যা বাড়ানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এদিকে, মঙ্গলবার অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।
জানা গেছে, হাসপাতালের সংক্রামক ওয়ার্ডে হামে আক্রান্তদের জন্য দুটি শয্যা বরাদ্দ। হঠাৎ করে হামে আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় শয্যার সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ২৯ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ দুপুর পর্যন্ত হামে আক্রান্ত ৪ শিশুকে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তারা হলো যশোর শহরের মুড়লী এলাকার বাসিন্দা লাভলুর ছয় মাসের সন্তান নূর মোহাম্মদ, সদর উপজেলার রূপদিয়া কচুয়ার মোতাহার হোসেনের নয় মাসের সন্তান সাফিয়া, আব্দুর রহমান ও শংকরপুর এলাকার শিশু আয়েশা। এই নিয়ে হাসপাতালে হামে আক্রান্ত মোট ৮ শিশু চিকিৎসাধীন।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়েত জানান, জায়গার অভাবে হামে আক্রান্তদের জন্য এখনো শয্যা বাড়ানো হয়নি। তবে এভাবে আক্রান্ত বাড়তে থাকলে আলাদা ওয়ার্ড তৈরির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। হাম ভাইরাসজনিত হওয়ায় আক্রান্তদের সংক্রামক ওয়ার্ডে চিকিৎসাসেবা চলমান।
অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলীমুর রাজীব জানান, মঙ্গলবার ৪ শয্যার হাম ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। হামে আক্রান্তরা ভর্তি হলে সেখানে রেখে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হবে।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা জানান, যশোরে হামে আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে চিকিৎসাসেবায় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। হাম থেকে রক্ষা পেতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।