Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

ওষুধে মশা মরছে না, অতিষ্ঠ যশোর পৌরবাসী !

এখন সময়: সোমবার, ১৬ মার্চ , ২০২৬, ১২:০৪:৫৬ এম

মিরাজুল কবীর টিটো : মশায় অতিষ্ঠ যশোর পৌরবাসী। খোদ পৌর প্রশাসক রফিকুল হাসান বলেন, বর্তমানে মশা মারার জন্য যে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে, তাতে মশা মরছে না। ভাল ঔষুধ হলে কাজে লাগতো।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট সভা কক্ষ অমিত্রাক্ষরে রোববার সকালে অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন-প্রতি শনিবার বিভিন্ন দফতরে ডেঙ্গু প্রজনন স্থল ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পৌরসভার সাথে পৌরবাসিকে ডেঙ্গু মশা নিধনে সোচ্চার হতে হবে। বর্তমানের পৌরসভার ৩০টি রাস্তার কাজ চলমান রয়েছে। এটা শেষ হলে চলাচলে দুর্ভোগ লাঘব হবে। কোন ওয়ার্ডে বৈদ্যুতিক বাল্ব কেটে গেলে জানালে লাগানো হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন-সরকারের নির্দেশনায় প্রতি শনিবার পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক দপ্তরে ডেঙ্গু প্রজনন স্থল ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তাদেরকে এ কার্যক্রম করে মন্ত্রী পরিষদকে জানাতে হবে। শুধু শনিবার নয় প্রতিদিনই বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি পর্যায়ে ডেঙ্গু মশা নিধনের জন্য কাজ করতে হবে। যদি কোন ব্যক্তির নির্মানাধীন ভবনে ডেঙ্গু মশার প্রজনন পাওয়া যায় তাহলে সেই মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আগামী বর্ষায় শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের মুক্তেশ্বরী নদীর পাশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নোটিশ দেয়ার জন্য ও তিন সদস্যের কমিটি গঠনের জন্য অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকারকে নির্দেশ দেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন-দেশে পেট্রোলের কোনো ঘাটতি নেই। পাম্পে তেল মজুদ রেখে সংকট সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যাতে সংকট সৃষ্টি না হয়, এজন্য তদারকি করা হবে।
সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা বলেন-২০২৫ সালে যশোরের ডেঙ্গু রোগী বেশি ছিল অভয়নগরেরর, তারপরে সদরে। বর্তমানে ডেঙ্গুর ধরন বদলাচ্ছে। ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। সেই সাথে মশারী টানিয়ে ঘুমাতে হবে। যদি কারো জ্বর হয়ে কমে গেলেও পাঁচ দিন বেড রেস্টে থাকতে হবে। বিভিন্ন উপজেলায় ভুয়া ডেন্টাল ডাক্তার চেম্বার খুলে চিকিৎসা দিচ্ছে।এদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ অভিযান চালানো প্রয়োজন। সেই সাথে ওঝাদের নিয়ে ক্যাম্পিং করা হবে। যাতে করে তারা সাপে কাটা রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন-মুক্তেশ্বরী নদীর যে অংশ দিয়ে শহরের পানি বের হতো, সেই স্থান সরু হয়ে গেছে দুই পাশে বিভিন্ন স্থাপনা গড়ে উঠায় ও ধান ক্ষেত থাকায় খনন করা যাচ্ছে না।
জেলা সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা কিশোর কুমার বলেন-তার টালিখোলা অফিসের সামনের ড্রেন খোলা ও ভাঙ্গা। সেখানে মশার প্রকোপ বেশি। সংস্কার না করা হলে পানি চলাচল না করলে কমবে না।
সড়ক ও জনপথের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আওয়ালুর রহমান বলেন-যশোর ঝিনাইদহ সড়কে জনসাধারণের চলাচলে দুর্ভোগ কমাতে প্রজেক্টের আওতায় আনা হয়েছে। রাস্তার এক পাশে কাজ করা হবে। অন্য পাশ দিয়ে পরিবহন চলাচলের ব্যবস্থা থাকবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার বলেন-রাস্তার কাজ এমন ভাবে করতে হবে যাতে ঈদে জনসাধারণের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা না হয়। রাস্তার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের এপ্রোন পরাতে হবে, তাতে যেন প্রতিষ্ঠানের নাম লেখা থাকে। শ্রমিকদের তালিকা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দিতে হবে।
যশোর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আহমেদ বলেন-আমাদের দপ্তরের ১০২ হটলাইন নম্বর চালু থাকবে। চলাচলের ক্ষেত্রে কোন দুর্ঘটনার কবলে পড়লে হটলাইন নম্বরে ফোন দিলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পৌঁছে যাবে। এ জন্য স্টেশন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিশেষ করে মাইক্রোবাসে রাতের বেলা চলাচল না করাই ভাল।
এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোশাররফ হোসেন, ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাইন সাফায়াত, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ। পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)