Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

দাদা রিপনের ১৭তম হত্যাবার্ষিকী আজ

এখন সময়: শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬, ১১:১৪:১২ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরের ছাত্রলীগ নেতা রিপন হোসেন ওরফে দাদা রিপনের ১৭ তম হত্যাবার্ষিকী আজ শনিবার । ২০১০ সালের এদিন সন্ধ্যায় সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। দীর্ঘ ১৬ বছরেও এ হত্যা মামলার বিচার শেষ না হওয়ায় হতাশ নিহতের পরিবার। এখনো এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়নি বলে জানিয়েছেন নিহতের ভাই সোহেল রানা। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে শুনানীর দিন পড়লেও,সাক্ষি বিদেশে থাকায় তা শুরু হয়নি। দ্রুত সাক্ষ গ্রহনসহ হত্যাকারীদের বিচারের দাবি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, আজ সদরের এড়েন্দার বাসভবনে পরিবারের পক্ষ থেকে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া মাহফিলে শরিক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৪ মার্চ বিকেলে রিপন হোসেন তার বন্ধু সেলিম রেজাকে সাথে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি থেকে শহরে আসছিলেন দাদা রিপন। পথিমধ্যে ভেকুটিয়ার আহছানিয়া মিশনের সেল্টার হোমের সামনের রাস্তায় পৌঁছালে হাফিজুর তার মোটরসাইকেল থামাতে বলে শহরে যাবে বলে। মোটরসাইকেল থামার সাথে সাথে হাফিজুর দৌঁড়ে এসে দা দিয়ে রিপনকে আঘাত করে। এ সময় রিপন ও সেলিম মাঠের মধ্যে দৌঁড় দেয়। রিপনকে মাঠের মধ্যে ধরে হাফিজুর ও তার লোকজন কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা রিপনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন নিহতের পিতা শহিদুল ইসলাম পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অপরিচিত ৪/৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে মামলা তদন্ত শেষে ৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- ভেকুটিয়া গ্রামের শাহারুল ইসলাম, বড় ভেকুটিয়া গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে হাফিজুর রহমান, ছলেমানের ছেলে শামীম, শফিয়ার রহমানের ছেলে মিকাইল, শফিয়ারের ছেলে শাহাজান ও রঘুনাথপুর গ্রামের জাহিদের ছেলে ইকবাল। মামলাটি ২০১২ সালের ২৫ জুলাই বিচারের জন্য জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)