পুলিশের ধারণা ধর্ষণের পর হত্যা

যশোরে রেললাইনের পাশ থেকে মহেশপুরের আঁখির মরদেহ উদ্ধার

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২১ মে , ২০২৪, ০৩:০৪:৩৭ এম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর সদর উপজেলার সাতমাইল এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনের পেছনে রেললাইনের পাশ থেকে আঁখি (১৪) নামে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আঁখি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার নাটিমা ইউনিয়নের দড়িয়াপুর গ্রামের পালক পিতা মিন্টুর মেয়ে। মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছে পুলিশ। পালক পিতা মিন্টুকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

এদিন সাতমাইল এলাকার আফিল ফিলিং স্টেশনের পেছনে রেললাইনের পাশে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে সংবাদ দেয়। নিহত মেয়েটির পরনে লাল রংয়ের থ্রি-পিস ছিল। লাশ উদ্ধারের সময় যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ডিবি পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের ছবি উঠিয়ে তা লোকজনকে দেখানোর পর সেটি আঁখির লাশ বলে জানা গেছে। গত শনিবার আঁখি তার পালক পিতা মিন্টুর সাথে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর তার মরদেহ যশোর সদর উপজেলার মথুরাপুর ও সাতমাইল এলাকার মাঝমাঝি স্থানে রেললাইনের পাশ থেকে উদ্ধার হয়। পুলিশের ধারণা আঁখিকে ধর্ষণের পর চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়া হতে পারে কিম্বা রেললাইনের পাশে হত্যা করে ফেলে রাখা হয়েছে। মিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারলে বিষয়টি পরিস্কার হবে। মিন্টুকে আটক করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে যশোর কোতয়ালি থানার নবনিযুক্ত ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ছাড়া এই মুহূর্তে কিছু বলা সম্ভব না। তিনি বলেন, নিহতের শরীরে তেমন কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। রেললাইনের পাশে মরদেহটি পড়ে থাকার কারণে বিষয়টি তদন্ত করছে জিআরপি (রেলওয়ে পুলিশ)।

যশোর রেলস্টেশনের জিআরপি ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।