বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে যশোর শিক্ষা বোর্ড

ইলেকট্রিশিয়ান না থাকায় অডিট শাখা এক সপ্তাহ বিদ্যুতবিহীন

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২১ মে , ২০২৪, ০৩:৪৯:২১ এম

 

 

মিরাজুল কবীর টিটো: বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড। সম্প্রতি শর্ট সার্কিটের কারণে প্রতিষ্ঠানটির অডিট শাখা বিদ্যুতবিহীন রয়েছে। বিদ্যুত না থাকায় এক সপ্তাহ ধরে শাখাটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদারের মাধ্যমে প্রশাসন শাখায় বিদ্যুতের লাইনের কাজ করানোর সময় শর্ট শার্কিটের ঘটনা ঘটে। বোর্ডের দুইজন ইলেকট্রিশিয়ানকে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সংক্রান্ত কাজে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। যার কারণে লাইন মেরামত করে শাখাটিতে বিদ্যুত সরবরাহ চালু করা যায়নি। 

জানা গেছে, পাকিস্তান আমলে যশোর শিক্ষা বোর্ড স্থাপিত হয়। বোর্ডের ভবনে অনেক পুরাতন বিদ্যুৎ লাইন রয়েছে। যেখান থেকে শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অফিসের প্রশাসন শাখায় ঠিকাদারের মাধ্যমে বিদ্যুতের লাইনের কাজ করানোর সময় শর্ট সার্কিটের কারণে অডিট শাখার বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কিন্তু দুই ইলেকট্রিশিয়ান ঢাকায় থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বৈদ্যুতিক লাইন মেরামত করা যায়নি। বিকল্প ব্যবস্থা না করে দুই ইলেকট্রিশিয়ানকে ঢাকায় পাঠানোয় মেরামত কাজ করা যাচ্ছে না। এতে অডিট শাখা বিদ্যুতবিহীন থাকায় কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শাখার নি¤œমান সহকারী রাসেল পান্না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বোর্ডে কর্মরতদের কয়েকজন জানান, প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রিশিয়ান থাকাটা খুবই জরুরি। কারণ, এখানে অনেক পুরাতন বৈদ্যুতিক লাইন রয়েছে। অফিস চলাকালীন যেকোন শাখায় সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য একজন ইলেকট্রিসিয়ানকে রেখে আরেকজনকে ঢাকায় পাঠানো উচিত ছিল। দুইজন ইলেকট্রিশিয়ানকে  একসাথে ঢাকায় পাঠানোর বিষয়টি বোধ্যগম্য নয়।

বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. বিশ^াস শাহীন আহমেদ জানান, জনবল সংকটের কারণে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ঢাকায় পাঠানোর কারণে একটু সমস্যা হচ্ছে।

বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আহসান হাবীব জানান, জনবল সংকটের কারণে ইলেকট্রিশিয়ানদের প্রশ্নপত্র ট্র্যাংকে ভরার কাজে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বৈদ্যুতিক কোন সমস্যা হলে বাইরের ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। এছাড়া কিছু করার নেই।