জামায়াত শিবির মাঠে নামলে দাতভাঙা জবাব দেয়া হবে : শাহীন চাকলাদার এমপি

এখন সময়: সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর , ২০২২ ০০:৪১:৫৯ am

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার এমপি বলেছেন, সরকার ভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের সুযোগ দিচ্ছে, তার মানে এই নয় এটা সরকারের দুর্বলতা। এই সুযোগে বিএনপির ছত্রছায়ায় জামায়াত-শিবির তথা উগ্র জঙ্গীবাদি শক্তি সরকারবিরোধী আন্দোলনের অজুহাতে প্রকাশ্যে মাঠে নামলে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা চুপ করে বসে থাকবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেবে।

বৃহস্পতিবার যশোর শহরের হাইকোর্ট মোড় এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী তৌহিদুর রহমান জুয়েলের উদ্যোগে আলোচনা এবং দোয়া-খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। জেলা আওয়ামী লীগনেতা ইঞ্জিনিয়ার কাজী আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ। এসময় বক্তব্য রাখেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহমুদ হাসান বিপু, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বিপুল, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জ্যোৎ¯œা আরা মিলি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি এস এম নিয়ামত উল্লাহ, সাবেক সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন কবির পিয়াস। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জিয়াউর রহমান হ্যাপী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুদ্দিন সাইফ, উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসানুর রহমান লিটু, জেলা আওয়ামী লীগনেতা রেজাউল ইসলাম, মশিয়ার রহমান সাগর, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন রাজীব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগনেতা খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম লিপু, জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইয়াসিন আরাফাত তরুণ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান কৌশিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ফাহমিদ হুদা বিজয়সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে শহরের বাবলাতলা এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আরিফুর রহমান সাগরের আলোচনা-দোয়া ও খাবার অনুষ্ঠানে যোগ দেন নেতৃবৃন্দ।

এরআগে বুধবার রাতে  যশোর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়ায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবলীগনেতা শফিকুল ইসলাম জুয়েলের উদ্যোগে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার এমপি। এসময় বিএনপির নেতাকর্মীদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এদেশে সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে জিয়াউর রহমান ও তার দল। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথরোধ করা হয়েছিল। সেই অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করা হয়েছিল ৭৯ সালে। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড মানবতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অপরাধ। একটি কমিশন গঠন করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবার মুখোশ উন্মোচন করা উচিত। নারী ও শিশুরাও বিএনপির হাত থেকে রেহাই পাননি। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পৃষ্ঠপোষকরা দেশের রাজনীতি থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি। তারা সাম্প্রদায়িক রাজনীতির মোহে আবিষ্ট। বাঁকা পথে তারা সরকারে গিয়ে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চায়। তাই সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগকে কোন অপশক্তি পরাজিত করতে পারবে না। এসময় বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহমুদ হাসান বিপু, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎ¯œা আরা মিলি, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ও জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগনেতা এস এম নিয়ামত উল্লাহ, সাবেক সভাপতি ও যুবলীগনেতা রওশন ইকবাল শাহী, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন কবির পিয়াস, পৌর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান রনি প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন রাজীব, পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলর নাছিমা আক্তার জলি, জেলা মহিলা আওযামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেহেনা আক্তারসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।