Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

কালীগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খবরের কাগজের খাম বানিয়ে দেয়া হচ্ছে এক্স-রে ফ্লিম

এখন সময়: শনিবার, ৩ অক্টোবর , ২০২৬, ০৪:২০:১০ পিএম
কালীগঞ্জে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খবরের কাগজের  খাম বানিয়ে দেয়া হচ্ছে এক্স-রে ফ্লিম

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক্স-রে রিপোর্ট এর ফ্লিম দেওয়ার জন্য নির্ধারিত খাম না থাকায় পত্রিকার কাগজ কেটে খাম তৈরি করে রোগীদের হাতে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে পত্রিকার কালি ও ধুলাবালি লেগে এক্স-রে রিপোর্ট নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত প্রায় এক মাস ধরে এক্স-রে রিপোর্ট ফ্লিম দেওয়ার জন্য কোনো খাম নেই। এর মধ্যে প্রায় ২০ দিন ধরে পুরোনো পত্রিকার কাগজ কেটে তাতে পিন দিয়ে খামের মতো তৈরি করে তার ভেতরে এক্স-রে রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, এক্স-রে ফ্লিম সংরক্ষণের জন্য পত্রিকার কাগজ ব্যবহার করা অস্বাস্থ্যকর ও অপ্রত্যাশিত। পত্রিকার কাগজে থাকা ধুলাবালি ও কালি এক্স-রে রিপোর্টের সঙ্গে লেগে যাওয়ায় রিপোর্টের মানও নষ্ট হচ্ছে। এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা যোগদানের পূর্বে এক্সরে রিপোর্ট খামের মধ্যেই দেওয়া হতো। রোগীরা ২০০ টাকা সরকারি ফি জমা দিয়ে এক্সরে রিপোর্ট করালেও একটি খাম ভাগ্যে জুটছে না। হাসপাতালে এক্স-রে করাতে আসা আতাউল হোসেন নামের এক রোগীর স্বজন বলেন, সরকারি হাসপাতালে এক্স-রে ফ্লিম পত্রিকার কাগজের তৈরি খামে দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। পত্রিকার কাগজ থেকে ধুলাবালি ও কালি রিপোর্টে লেগে সেটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রিপোর্টটি তো আমরা ফ্রি করছি না। তাহলে একটি খাম দিতে অসুবিধা কোথায়। রবিউল ইসলাম নামে অপর এক রোগী বলেন, এক্সরে করার পর রিপোর্ট নিতে গিয়ে দেখি খামের বদলে পুরাতন ময়লাযুক্ত পত্রিকার কাগজের মধ্যে ফিল্মটি ঢুকিয়ে হাতে ধরিয়ে দিল। আমার প্রশ্ন একটি সরকারি হাসপাতালে খাম কেনার জন্য কি কোন বরাদ্দ দেওয়া হয় না? আর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কতটা উদাসীন হলে এভাবে রোগীর সেবা দিতে পারে। কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং) সামিউর রহমান বলেন, “গত প্রায় এক মাস ধরে এক্স-রে ফ্লিম দেওয়ার খাম শেষ হয়ে গেছে । তারপর থেকে আমি নিজে পত্রিকার কাগজ কেটে খাম তৈরি করে ফিল্ম ভরে রোগীদেরকে দিচ্ছি। এভাবে রিপোর্ট দেওয়া বেশ অস্বস্তিকরও বটে। বিষয়টি আমার কর্তৃপক্ষকে প্রথমে মৌখিক এবং পরবর্তীতে লিখিতভাবে জানিয়েছি। এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার ডাক্তার আমানুল্লাহ আল মামুনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যতম সদস্য কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন,স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে বিষয়টা নিয়ে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)