Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒ ভ্যান উদ্ধার, আটক ২

‘চেতনানাশক খাইয়ে ইখলাসকে হত্যার পর কপোতাক্ষ নদে ফেলে দেয়া হয়’

এখন সময়: রবিবার, ১১ অক্টোবর , ২০২৬, ০৭:২৮:৫৯ পিএম
‘চেতনানাশক খাইয়ে ইখলাসকে হত্যার  পর কপোতাক্ষ নদে ফেলে দেয়া হয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক : চৌগাছার মাধবপুর গ্রামের ইখলাস হোসেন (২৯) ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন ভাড়ায় চালাতে। পরিবারের ধারণা ছিল, অন্য দিনের মতোই ভ্যান চালিয়ে সন্ধ্যায় ঘরে ফিরবেন তিনি। কিন্তু আর ফেরা হয়নি। ভ্যানটি ছিনিয়ে নিতে চেতনানাশক খাইয়ে তাকে হত্যার পর মরদেহে চারটি ইট বেঁধে কপোতাক্ষ নদে ফেলে দেওয়া হয়। তিন দিন পর সেই নদ থেকেই উদ্ধার হয় ইখলাসের মরদেহ। যশোরের চৌগাছার অটোভ্যানচালক ইখলাস হোসেন হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে ইখলাসের ভ্যানটিও। আটককৃতরা হলেন-ঝিকরগাছার গঙ্গানন্দপুর এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে মেহেদী হাসান ও বিষহরি গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে আশরাফুল আলম। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ এসব তথ্য জানান নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন। তিনি জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চৌগাছা উপজেলার স্বরূপদা ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের সানাউল হোসেনের ছেলে ইখলাস ভ্যান নিয়ে ভাড়ায় চালাতে বের হন। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। পরদিন পরিবারের পক্ষ থেকে চৌগাছা থানায় জিডি করা হয়। ২২ সেপ্টেম্বর সকালে ঝিকরগাছার গঙ্গানন্দপুর ইউনিয়নের পূর্বপাড়ায় মারুফ মল্লিকের ব্রয়লার ফার্মের পেছনে কপোতাক্ষ নদে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা সেটি ইখলাসের বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় ইখলাসের পিতা বাদী হয়ে অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে ঝিকরগাছা থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে মেহেদী হাসানকে ঝিকরগাছার ঝাউদিয়া এলাকা থেকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আশরাফুল আলমকেও আটক করা হয়। তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে দুজন ইখলাস হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ভ্যানটি নিয়ে বিক্রি করে টাকা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী কোমল পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে ইখলাসকে পান করানো হয়। পরে গলায় ফাঁস দিয়ে ও পানিতে চুবিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ গোপন করতে চারটি ইট বেঁধে কপোতাক্ষ নদে ফেলে দেওয়া হয়। আটক দুইজনকে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)