Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

ঈদ বাজার : শিশু পোশাকের জমজমাট বেচাকেনা

এখন সময়: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ , ২০২৬, ০৭:৪৩:২৭ পিএম

মারুফ কবীর: শিশুদের কাছে ঈদ মানে নতুন পোশাক, ঘুরতে যাওয়া আর সারাদিন আনন্দে কাটানো। তাই ঈদ কেনাকাটার তালিকায় প্রথমেই গুরুত্ব পায় শিশুদের পোশাক। সোমবার শহরের শিশু পোশাকের দোকানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- মেয়ে শিশুদের সারারা-গারারা, লং ফ্রক, কটন ফ্রক ও ডিভাইডার শর্ট স্কার্টের কদর বেশি। আর ছেলেদের পাঞ্জাবি, শার্ট, গেঞ্জি সেট, থ্রি-কোয়ার্টার, শর্ট প্যান্ট ও ফুল প্যান্ট বেশি বিক্রি হচ্ছে। যশোর শহরের জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট, কালেক্টরেট মসজিদ কমপ্লেক্স মার্কেট, কাপুড়িয়াপট্টি,এইচ এম এম রোড, সিটি প্লাজা, মুজিব সড়কের ফ্যাশন হাউজসহ বিভিন্ন বিপণিবিতানে এখন চলছে শিশু পোশাকের জমজমাট বেচাকেনা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, শহরের পাশাপাশি বিভিন্ন উপজেলা থেকেও ক্রেতার আসছেন শিশুদের পোশাক কিনতে। এছাড়াও যশোরের পাশবর্তি জেলা শহর থেকে উল্লেখযোগ্য ক্রেতা সমাগম যশোরের বাজারে দেখা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আরও বলেন, যশোরের বাজারে শিশুদের পোশাকের বড় অংশ ভারত, পাকিস্তান ও চীন থেকে আমদানি করা। তবে দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোর তৈরি পোশাকের চাহিদা বেড়েছে এবারের ঈদে। আসন্ন ঈদ পড়বে বসন্ত শেষে চৈত্রের গরমের সময়ে। তাই পোশাক তৈরিতে সুতির কাপড়ের ব্যবহার বেশি দেখা যাচ্ছে। সুতি, লিনেন ও ভিসকস কাপড়ে তৈরি পোশাক গরমে আরাম দেয় এবং শিশুদের ত্বকের জন্যও নিরাপদ। বেশিরভাগ ক্রেতাদের অভিযোগ,ঈদকে ঘিরে শিশুদের পোশাকের দাম বাড়িয়ে দেয় ব্যবসায়ীরা। অপরদিকে ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, ডলারের দাম বৃদ্ধি এবং আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় পোশাকের দাম বেশি। আলী আকবর নামে এক ক্রেতা বলেন, ঈদ ঘিরে শিশু পোশাকের দাম বেশি নেয়া হচ্ছে। তারপরও সন্তানের ঈদ আনন্দের জন্য নতুন পোশাক কেনা। তিনি আরও বলেন, ঈদের আগেও একই পোশাক অনেক কম দামে পাওয়া যেত। সিটি প্লাজার কিডস ক্লাবের স্বত্বাধিকারী এস কে মমিনুল ইসলাম বলেন, বড়দের পোশাকের তুলনায় শিশুদের পোশাকই এখন বেশি বিক্রি হচ্ছে। শহরের বেবি ফ্যাশনের বিক্রয় কর্মী সলেমান বলেন, শিশু চোখ খোঁজে ঝলমলে পোশাক। এজন্য তাদের কথা মাথায় রেখে ঈদে পোশাক এনছি। তিনি আরও বলেন, সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত বিরামহীন শিশু পোশাকের বেচা-বিক্রি হচ্ছে। এইচ এমএম রোডের ডরেমনের প্রোপাইটর নাজমুল ইসলাম রিপন বলেন, এবারের ঈদে দেশীয় ফ্যাশন হাউজের শিশু পোশাকের চাহিদা বেশি। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোটদের জিন্স প্যান্ট ৭’শ থেকে ২৫শ’, শার্ট ৫’শ থেকে ১৪’শ’ টাকা, টি শার্ট ২’শ থেকে ৯শ’, মেয়েদের ফ্রগ ১ থেকে ৬ হাজার টাকা, স্কার্ট ১২শ’ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা। সারারা-গারারা ড্রেস ১৫’শ থেকে ৩ হাজার, টু-পিস ও থ্রি-পিসের দাম ৮শ’ থেকে ৩ হাজার, লেহেঙ্গা ৭’শ থেকে ৪ হাজার, গাউন ১৫’শ থেকে ৫ হাজার টাকা, শার্টের দাম ৪’শ থেকে ১২’শ টাকা। শহরের কাপুড়িয়াপট্টিতে শিশু পোশাকের দোকান ক্যারন’র ব্যবস্থাপক রাশেদ খান মেনন বলেন, আমাদের নিজস্ব কারখানায় তৈরি হয় এসব পোশাক। যে কারনে গুনগত মান অনেকভালো। যশোরের আউটলেটটি নতুন তুলনায় বিক্রি হচ্ছে ভালো। তিনি আরও জানান, আমাদের শোরুমে মেয়ে বাচ্চাদের পোশাকের মধ্যে (সুতি) ১ থেকে ২ হাজার এবং পার্টি ড্রেস পাওয়া যাচ্ছে ২ থেকে ৫ হাজার টাকায়।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)