নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোরের ঝিকরগাছায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় জামায়াতে ইসলামীর নারী নেত্রীদের ওপর হামলা চালিয়েছে যুবদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় হামলাকারীরা নারীদের কাছে থাকা ভ্যানিটি ব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। রোববার সন্ধ্যায় যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেছেন-শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে বাধা দিতে পরিকল্পিতভাবে নারী কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ধরনের হামলা গণতন্ত্র ও নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের ওপর সরাসরি আঘাত। তিনি বলেন- রোববার দুপুরে ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা পর্যায়ের নারী নেত্রী ও কর্মীরা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১০ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র পক্ষে ভোট প্রার্থনা করতে যান। এ সময় বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তিনি আরও বলেন- উপজেলা যুবদলের সভাপতি আরাফাত রহমান কল্লোলের নেতৃত্বে সবুজ, আহনাত, সোহাগসহ ১৫-২০ জনের একটি দল নারী কর্মীদের পথরোধ করে গালিগালাজ ও মারধর করে। এতে রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস ও জোসনাসহ আরও অনেক নারী কর্মী আহত হন। এর মধ্যে জোসনা ও কামরুন্নাহার গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলাকারীরা এসময় নারী নের্তীদের মোবাইল ফোন ও ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর মহিলা নেত্রী শিখা বলেন- নারী কর্মীদের ওপর এ ধরনের হামলা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও গণতন্ত্রের চরম লঙ্ঘন। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট চাইতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনার পর জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা সুরা সদস্য আরশাদুল আলম, ঝিকরগাছা উপজেলা আমির আব্দুল আলিম, চৌগাছা উপজেলা আমির গোলাম মোর্শেদ, ঝিকরগাছার সেক্রেটারি নজরুল ইসলাম খান মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি তহমিনা শিখা, সহকারী সেক্রেটারি জোসনা খাতুন প্রমুখ।