জীবননগর প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর হাসাদাহ ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে মনিরুল ইসলাম ওরফে ফেলা (৫০) নামের এক দিনমজুরকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুর ১২ টার দিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মনিরুল ইসলাম একই উপজেলার বালিহুদা গ্রামের মৃত দিদার উদ্দিন মন্ডলের ছেলে। এলাকাবাসীর ধারণা, পারিবারিক কলহের কারণে তার পুত্র রাজু (২৬) ও স্ত্রী পাপিয়া ( ৪২) তাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী পাপিয়া খাতুন ও ছেলে রাজু পলাতক রয়েছেন। খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন বিশ্বাস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন । এলাকাবাসী জানায়, মনিরুল ইসলাম এক মাস আগে বালিহুদা গ্রাম থেকে উঠে এসে পার্শ্ববর্তী মাধবপুর গ্রামে স্ত্রী পাপিয়া খাতুনকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এক প্রতিবেশী বলেন বেলা ১ টার দিকে নিহত মনিরুল ইসলামের ছেলে রাজু আমার মোবাইলে ফোন দিয়ে তার বাবার জানতে চেয়ে বলেন যে আমার বাপ মারা গেছে বিষয় টি দেখতে বললে তার কথা প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে মনিরুল ইসলাম গলা কাটা অবস্থায় নিথর দেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে আছে । এদিকে এ ঘটনার পরপরিই মনিরুলের স্ত্রী ছেলে রাজু পলাতক। এ কারণে এলাকাবাসী ধারণা করছেন হত্যাকাণ্ডের সাথে নিহতের স্ত্রী এবং ছেলে জড়িত থাকতে পারে। জীবননগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন হোসেন বিশ্বাস জানান, খবর পেয়ে আমি এবং আমার তদন্ত অফিসার ও সংগীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং মনিরুলের মৃত্যু দেহ দেখতে পায়। তিনি প্রাথমিক ভাবে আমরা এখনো কোন তথ্য পায়নি তবে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত করছে।