নিয়োগের টাকা ফেরত দেয়া নিয়ে শিত্তরদাহে মারামারি, উত্তেজনা

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২১ মে , ২০২৪, ০৮:১৫:০০ এম

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিয়োগের টাকা ফেরত দেয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মারামারি হয়েছে। ঘটনাটি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলারশিত্তরদাহ বাজারে ঘটেছে।

জানা যায়, শিত্তরদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরিছন্নতা কর্মী পদে নিয়োগ দেয়ার নাম করে শিত্তরদাহ গ্রামের শাহিন মাস্টার ও নাজমুল ইসলাম রাজু একই গ্রামের ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে বিল্লাল হোসেনের নিকট থেকে এক লাখ টাকা নেয়। চাকুরি হলে ৭ লাখ টাকা দেয়ার চুক্তি হয়। কিন্তু তারা টাকা নিলেও চাকুরি দিতে পারিনি। তার চাকুরি হয়েছে অন্য মাধ্যম দিয়ে। যে কারণে শাহিন মাস্টার ও নাজমুল হোসেন রাজুর কাছে টাকা ফেরত দিতে চাপ সৃষ্টি করে ভোক্তভোগী ইব্রাহিম হোসেন ও তার পুত্র বিল্লাল হোসেন। বিষয়টি নিয়ে বসাবসির জন্য একের পর এক দিন তারিখ দিলেও কোন সমাধান করছিল না শাহিন মাস্টার। ফলে সোমবার সন্ধ্যার পরে শাহিন মাস্টার শিত্তরদাহ বাজারে আব্দুর রহমানের চায়ের দোকানে গেলে তার কাছে টাকা চায় ইব্রাহিম হোসেন। এসময় দুইপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও মারামারি হয়। ঘটনায় শিত্তরদাহ গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করেছে।

এব্যাপারে ইব্রাহিম হোসেনের ভাই মাহাবুর রহমান জানান, শাহিন মাস্টার ও রাজুর নামে নানা অভিযোগ রয়েছে। তারা মানুষের সাথে প্রতারনা করে টাকা পয়সা নেয়। আমার ভাইপোকে শিত্তরদাহ স্কুলে চাকুরি দেবে বলে এক লাখ টাকা নিয়েছে। সেই টাকা চাওয়ায় কারণে শাহিন মাস্টার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমার ভাইকে। এবং টাকা দেবে না বা পারলে আদায় করে নেয়ার হুমকি দেয়। তিনি আরো অভিযোগ করেন, শাহিন মাস্টার বিভিন্ন দালালি ব্যবসার সাথে জড়িত। এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে চাকুরি ও বিদেশ নিয়ে যাওয়ার নাম করে সে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

শাহিন মাস্টার জানান, চাকুরি দেয়ার নামে আমি কোন টাকা নিইনি। শিত্তরদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে মামলা ছিল। সেই মামলা তোলার জন্য স্কুলের সভাপতি আব্দুস সাত্তার ও রাজুর কাছে টাকা দিয়েছিল ৫০ হাজার। বিষয়টি আমি জানতাম। এর বাইরে ওই নিয়োগ নিয়ে আমি আর কিছু জানি না। বরং সভাপতি আব্দুস সাত্তার আমাকে সহকারী প্রধান শিক্ষক করবে বলে এক লাখ টাকা নিয়েছে। গন্ডোগোলের পরে সোমবার রাতে সে টাকা ফেরত দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুস সাত্তার জানান, শাহিন মাস্টার ও রাজু লোক ভাল না। শুনেছি ওরা স্কুলে চাকুরি দেয়ার নাম করে টাকা নিয়েছে। এ নিয়ে ওদের মধ্যে গন্ডগোল হয়েছে।