মিরাজুল কবীর টিটো : যশোর শহরের ব্যস্ততম রাস্তার ধারে অবৈধ স্ট্যান্ড বানিয়ে ইজিবাইক-থ্রী হুইলার থামিয়ে রেখে যাত্রী উঠানো নামানো হয়। সেই সাথে বসানো হয় ভ্যানে করে ভ্রাম্যমাণ দোকান । একারনে শহরে প্রতিদিনই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করেন পৌরবাসী। অথচ যানজট নিরসনে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ নেই। শহর ঘুরে দেখা গেছে-শহরের বকুলতলা, ২৫০ শয্যা হাসপাতালের সামনে, ঘোপ সেন্ট্রাল রোড হাসপাতালের পাঁচিলের পাশে, মুজিব সড়কের প্রবেশ মুখে, ঈদগাহ মোড়ের আইনজীবী সমিতির ভবনের সামনে, জেলা প্রশাসকের প্রধান গেটের সামনে, কোতয়ালী থানা থেকে আর এন রোড যাওয়ার রাস্তার ধারেসহ বিভিন্ন সড়কে ধারে ঘন্টার পর ঘন্টা ইজিবাইক, থ্রী হুইলার সিরিয়াল অনুযায়ী থামিয়ে রেখে যাত্রী উঠানো নামানো হয়। একই সঙ্গে এসব রাস্তার ধারে ভ্যানে করে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে ব্যবসা করা হয়। পথচারীরা মনে করেন ইজিবাইক, থ্রী হুইলার থামিয়ে রাখা ও ভ্রাম্যমাণ দোকান বসানোর কারনে রাস্তার জায়গা সংকুচিত হয়ে যাওয়ার কারনেই প্রতিদিন শহরে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে সাধারণ মানুষ সময় মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারে না। স্বজনরা রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আনার সময় দুর্ভোগে পড়তে হয়। কামরুজ্জামান নামে এক পথচারী জানান-শহরে এতবেশি যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে যে সময় মতো অফিসে যাওয়া-আসা করা যায় না। অথচ পৌরসভা থেকে যানজট নিরসনের কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় এ দুর্ভোগ দুর হচ্ছে না। শাহজালাল নামে আরেক পথচারী বলেন-হাসপাতালের সামনে ইজিবাইক ,অটোরিক্সা রাখা বন্ধ করতে পারেনি পৌরসভা। একারনে হাসপাতালের সামনের রাস্তায় প্রতিদিন এত বেশি যানজটের সৃষ্টি হয়, রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। একই কথা বলেন পারভেজ , সোয়েব হোসেন নামে আরো দুইজন পথচারী। পৌরসভা প্রশাসনিক কর্মকর্তা উত্তম কুমার কুন্ডু বলেন-যখন অভিযান চালানো হয়, তখন রাস্তার পাশ থেকে সব সরে যায়। পরে আবার একই জায়গায় অবস্থান নেয়ায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। সহকারী প্রকৌশলী বিএম কামাল আহমেদ জানান, শহরের যানহট নিরসনে শীঘ্রই অভিযান পরিচালনা করা হবে। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মাহফুজুর রহমান বলেন-দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে পৌরসভা থেকে যানজট নিরসনের জন্য শহরে অভিযান পরিচালনা করা হবে। আমাদের পক্ষ থেকে পৌরসভার অভিযানে সহযোগিতা করা হবে।