Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒দেখলেন মজুদ, ক্রয় বিক্রয়ের নথিপত্রও

রাতে নিজ শহরে হঠাৎ পেট্রোল পাম্প পরিদর্শনে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

এখন সময়: শনিবার, ২৮ মার্চ , ২০২৬, ০২:০০:৩০ এম

নিজস্ব প্রতিবেদক: নাগরিকদের অসচেতনতা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল মজুদের ফলে যশোরে তীব্র তেল সংকট দেখা দিয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে ব্যক্তিগত যানবাহন চালকরা প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে পাম্প মালিকদের দাবি, চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেলের সরবরাহ মিলছে না। এমন পরিস্থিতিতে নিজ শহর যশোরে হঠাৎ পেট্রোল পাম্প পরিদর্শনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের মনিহারস্থ মনির উদ্দিন ও যাত্রীক পেট্রোলিয়াম সার্ভিস’ নামে দুটি তেল পাম্প পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি পাম্প দুটির স্টোরেজ যাচাই করেন। পরে পাম্পের মজুদ, ক্রয় বিক্রয়ের নথিপত্র দেখেন। এসময় কিছু অসংগতি পাওয়ায় পাম্পগুলোর কর্মকর্তাদের সর্তক করেন তিনি। পাম্পের সামনে বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের উদ্দেশ্য প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, অস্থির হওয়ার কোনো কারণ নেই। দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। সরকার পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। তেল নিয়ে অহেতুক আতঙ্ক না ছড়াতে সবার প্রতি আহ্বানও জানান তিনি। একই সাথে বাড়তি তেল মজুত না করতে চালকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।’ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত যশোর -৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে চলা জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতার মধ্যে পাম্প মালিক ও ক্রেতারা একে অন্যদের দোষ চাপাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নিজ এলাকায় রাতে হঠাৎ পাম্পগুলো তদারকি করার এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় প্রশংসা করছেন সাধারণ মানুষেরা। তারা বলছেন, সরকারের এই ধরণের তৎপরতা পাম্প মালিক ও অসাধু ক্রেতাদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে আসবে। এদিকে, যশোরের পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, ডিজেলের সরবরাহ মোটামুটি থাকলেও পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। যশোরের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ঝোলানো হয়েছে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড। যে কয়েকটি পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন। তেলের খোঁজে অনেক চালককে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। দীর্ঘ পথ ঘুরেও চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। তবে এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে নাগরিকদের অসচেতনতা ও আতঙ্ককেই দায়ী করছেন সচেতন ভুক্তভোগীরা। যাত্রিক ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক ইকরাম হোসেন অভিযোগ করেন, চাহিদামতো তেল না পাওয়ার পাশাপাশি অনেক চালক দিনে ৩-৪ বার করে তেল নিয়ে যাচ্ছেন। অপ্রয়োজনে এই বাড়তি সংগ্রহের কারণেই সাধারণ মানুষ তেল পাচ্ছে না।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)