নিজস্ব প্রতিবেদক : যশোরে চাকরির নামে ১৪ লাখ টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে চাঁদাদাবি ও হুমকির অভিযোগ করেছেন মো. রফিকুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। তিনি সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের ঘোপ এলাকার বাসিন্দা। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় তিনি অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার প্রতিবেশী মো. আশরাফ (৪৯) ও তার স্ত্রী মাহিনুর বেগম (৪৫) তাদের বেকার ছেলে শান্ত (১৯)-এর চাকরির বিষয়ে বিভিন্ন সময় তার সঙ্গে আলোচনা করতেন। প্রায় চার-পাঁচ মাস আগে ইজিবাইকে পরিচয় হওয়া এক অজ্ঞাত ব্যক্তি সরকারি বিভিন্ন সেক্টরে চাকরি দেয়ার কথা জানিয়ে তার কাছে মোবাইল নম্বর দেন। পরে একই এলাকার আশরাফ ও তার স্ত্রীর অনুরোধে তিনি ওই নম্বরটি দিয়ে তাদের ছেলে শান্তর চাকরির বিষয়ে নিজ দায়িত্বে যোগাযোগ করতে বলেন।
রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, এরপর দীর্ঘদিন এ বিষয়ে তার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। প্রায় তিন মাস আগে আশরাফ দম্পতি তাকে জানান, তারা ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে ছেলের চাকরির জন্য ১৪ লাখ টাকা দিয়েছেন। কিন্তু চাকরি না হওয়ায় এবং টাকা ফেরত না পাওয়ায় এখন তারা ওই টাকা তার কাছে দাবি করছেন। এ লেনদেনের বিষয়ে তিনি বা তার পরিবারের কেউ কিছু জানেন না বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন,আশরাফ ও মাহিনুর বেগম তার ও তার স্ত্রী লতা বেগম (৩৩)-এর বিরুদ্ধে এলাকায় মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছেন। স্থানীয়ভাবে বৈঠক হলে উপযুক্ত প্রমাণ না পাওয়ায় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তাদের কাছে টাকা দাবি না করতে বলেন। তবুও গত ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার দিকে অভিযুক্তরা তার বাড়ির সামনে এসে টাকা দাবি করে হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন রফিকুল।
অভিযোগে বলা হয়, টাকা না দিলে মিথ্যা মামলা ও মারধরের ভয় দেখানো হচ্ছে। এ ঘটনায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান। ঘটনার সাক্ষী হিসেবে স্থানীয় ইমরান ও হায়দারসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত কাজী বাবুল হোসেন বলেছেন, এমন একটি অভিযোগ থানায় করা হয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।