Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় সভা

যশোর জেলায় ১৩ হাজার ২৯৫ কৃষক পাবেন ‘কৃষক কার্ড’

এখন সময়: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই , ২০২৬, ১২:১৮:২৬ এম

মিরাজুল কবীর টিটো : আগস্ট মাসে প্রথম পর্যায়ে যশোর জেলায় ১৩ হাজার ২৯৫ কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ দেয়া হবে। সঠিকভাবে এ কার্ড দেয়ার লক্ষ্যে ডাটাবেজ তৈরির কাজ শেষের দিকে। এদিকে ড্রেন, রাস্তা নির্মাণ কাজে ঠিকাদারদের গাফলতি থাকলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রোববার সকালে কালেক্টরেট সভাকক্ষ অমিত্রাক্ষরে অনুষ্ঠিত জেলা উন্নয়ন ও সমন্বয় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, সারা দেশে ৩ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ দিতে প্রস্তুত সরকার । এর মধ্যে আগস্ট মাসে প্রথম পর্যায়ে যশোর জেলায় ১৩ হাজার ২৯৫ কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’ দেয়া হবে। নির্র্ভূল কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে ডাটা বেজ তৈরির কাজ চলছে। জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন বলেন-এমএম কলেজের দক্ষিণ গেটের সামনের রাস্তার নির্মাণ কাজে অগ্রগতি কম। ঠিকাদারের গাফলতির কারণে কাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জায়েদ হোসেন বলেন- পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের ছোট ছোট কালভার্টের কারনে ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এমএম কলেজের দক্ষিণ গেটের সামনের রাস্তার নির্মাণ কাজে দ্রুত শেষ করতে চিঠি দেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, শহরের যানজট নিরসনের লক্ষ্যে পরিবর্তে ব্যক্তি পর্যায়ে লাইসেন্স দেয়ার অগ্রতি না হওয়া অসেন্তাষ প্রকাশ করেন। এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। শহরের ড্রেন, রাস্তা নির্মানে ঠিকাদারদের গাফলতি থাকলে কোন ছাড় দেয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সিভিল সার্জন ডাক্তার মাসুদ রানা বলেন- এবছর জেলায় ডেঙ্গু রোগী ২১৯। এর মধ্যে ১৬০ রোগী অভয়নগরে। সেখানে জলাবদ্ধতার কারেন ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে। এজন্য পর্যাপ্ত কিট মজুদ আছে। তবে স্যালাইন সংকট দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন হোটেলে স্বাস্থ্য সম্মতভাবে খাবার তৈরি হয় না। খাবার গুলো খেয়ে মানুষ হেপাটাইটিস, স্ট্রোকসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো প্রয়োজন। এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাহাবুবুর রহমান বলেন, বিভিন্ন উপজেলায় কালভার্ট, রাস্তা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। দ্রুত কাজ করা হবে। দেশ ব্যাপী হাটবাজার উন্নয়নের লক্ষ্যে যশোরের বাঘারপাড়া, চৌগাছা ও ঝিকরগাছায় বাজার নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। এটা জেলা প্রশাসনকে হস্তান্তর করা হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাম্মী সুলতানা বলেন-দড়াটানা ব্রিজের বিকল্প গরিব শাহ’র পাশ দিয়ে ব্রিজ নির্মাণে ম্যাপ তৈরির কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। বেনাপোলের পুরাতন রাস্তা চওড়া করার লক্ষ্যে ম্যাপ তৈরির কাজ করা হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার ব্যানার্জী বলেন-অভযনগর কেশবপুর, মণিরামপুর, ঝিকরগাছায় জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ভবদহ এলাকায় পাম্পের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। জেলা সিনিয়র মদস্য কর্মকর্তা মনিরুল মামুন বলেন- জলাবদ্ধতার সময় যাতে কোন এলাকায় কারেন্ট জাল ও বাঁধ দিয়ে মাছ না ধরা হয়, এজন্য মাইকিং করা হয়েছে। এসময় বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)