Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

যশোরের বিভিন্ন কলেজে এইচএসসির একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও প্রশংসাপত্র প্রদানে চলছে বাণিজ্য

এখন সময়: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে , ২০২৬, ১২:৪৫:০৪ এম

মিরাজুল কবীর টিটো: যশোরের কলেজগুলোতে এইচএসসি পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও প্রশংসাপত্র প্রদানে বাণিজ্য চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ দুটি নেয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩০০ টাকা নেয়া হচ্ছে। অথচ পরীক্ষার ফরম পূরণের ফিসের সাথে শিক্ষার্থীরা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফি ১০০ টাকা দিয়ে থাকে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট দেয়ার ক্ষেত্রে টাকা নেয়া অবৈধ বলে জানান বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন। বোর্ড সূত্র জানায়, এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ড থেকে ফিস নির্ধারণ করে দেয়া হয়। নির্ধারিত টাকার অংশে উল্লেখ করা থাকে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ফি প্রতি পরীক্ষার্থী ১০০ টাকা করে জমা দেবে। সেই নিয়ম অনুযায়ী এইচএসসির পরীক্ষার্থীরা ফরম পূরণ করে ২০২৫ সালে পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে। সম্প্রতি পাস করা শিক্ষার্থীরা তাদের কলেজে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও প্রশংসা পত্র নিতে গিয়ে বিপাকে পড়েছে। কলেজ থেকে তাদের বলা হচ্ছে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও প্রশংসাপত্র নিতে হলে ৩০০ টাকা দিতে হবে, এ টাকা না দিলে দেয়া হবে না। তিনটি কলেজের শিক্ষকদের সাথে কথা বলে সত্যতা পাওয়া গেছে। সদর উপজেলার হামিদপুর আল হেরা কলেজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের নিতে গেলে ৩০০ টাকা কলেজে দেয়া লাগছে। এটি কলেজ গভর্ণিং বডি মিটিং করে নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া টাকা আপ্যায়নসহ কিছু আনুসাঙ্গিক খাতে ব্যয় করা হয়। এজন্য সরকার থেকে কোন টাকা কলেজের দেয়া হয় না। যশোর কলেজের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে এক শিক্ষক জানান, এইচএসসি পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও প্রশংসাপত্র প্রদানে যে টাকা নেয়া হয় সেই টাকা কলেজের সাধারণ ফান্ডে জমা হয়। গভর্ণিং বডির সিদ্ধান্তে টাকা তুলে ব্যয় করা হয়। আরো দুটি কলেজের শিক্ষকদের সাথে কথা বলছে তারাও একই কথা জানান। বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর এসএস তৌহিদুজ্জামান বলেন- এইচএসসি পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট ও প্রশংসাপত্র প্রদানে কলেজ থেকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোন টাকা নিতে পারবে না। টাকা নিলে সেই দায়ভার কলেজের। এ ব্যাপারে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন বলেন- একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট প্রদানে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি নেয়া অবৈধ। কারন এ বাবদ বোর্ড থেকে কলেজের কাছ থেকে কোন টাকা নেয়া হয় না। যদি কোন কলেজ থেকে একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট দেয়া বাবদ টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া হয় তাহলে ওই কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Ad for sale 100 x 870 Position (2)
Position (2)
Ad for sale 225 x 270 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 225 x 270 Position (4)
Position (4)