ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ বুধবার, ২৭ অক্টোবর , ২০২১ ● ১১ কার্তিক ১৪২৮

সামান্য বৃষ্টিতেই খাল মণিরামপুরের হাজরাকাটির সড়ক

Published : Monday 26-July-2021 21:36:33 pm
এখন সময়: বুধবার, ২৭ অক্টোবর , ২০২১ ০৪:১২:৫৪ am

নূরুল হক, মণিরামপুর : একটু বৃষ্টি হলেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে মণিরামপুর সদর ইউনিয়নের হাজরাকাটি গ্রামের প্রধান সড়ক। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটির প্রায় ৩০০ মিটার এলাকা জুড়ে হাঁটুজল থাকছে। ফলে শতাধিক পরিবারের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে যাতায়াতের একমাত্র এই সড়কটি। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা ও সড়কটি নিচু হওয়ায় টানা বৃষ্টিতে এ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, দিন মজুরসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। কিন্তু তা দেখার যেন কেউ নেই। এলাকাবাসী দীর্ঘদিন প্রতিকারের জন্য বিভিন্ন মহলে ধর্ণা দিয়েও কোনো প্রতিকার পায়নি।

মণিরামপুর সদর ইউনিয়নের ৬নং-হাজরাকাটি ওয়ার্ডের উত্তর পাড়া এলাকাবাসীর চলাচলের প্রধান সড়ক এটি। সড়কটি যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের মোলামমিয়ার বটতলা থেকে পশ্চিম দিকে গ্রামের মধ্য দিয়ে খালকান্দা-ইউনিয়ন পরিষদ সড়কের সাথে মিলিত হয়েছে। মোলাম মিয়ার বটতলা থেকে মাত্র ১শ’ মিটার দুরে এ সড়ক সংলগ্ন হাজরাকাটি মাঝপাড়া বটতলা জামে মসজিদ অবস্থিত। ঠিক এ মসজিদের কাছেই সড়কের এ বেহাল অবস্থা । ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টি হলেই এ মসজিদের সামনেসহ সড়কের প্রায় ৩০০ মিটার হাটু পানিতে তলিয়ে যায় এবং সেটা রাস্তার উপরেই কয়েকদিন পর্যন্ত জমে থাকে। যে কারণে এলাকাবাসিসহ মসজিদে আগত মুসাল্লিদের সমস্যায় পড়তে হয়। তাছাড়া আশপাশে বসবাসরত জনসাধারণের চলাচলের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। যাতায়াত করতে সীমাহীন বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়।

শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, এ এলাকার সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় হাটু পর্যন্ত পানি হওয়ায় আমাদের চলাচলে অত্যধিক কষ্ট হয়। তাছাড়া ময়লা পানির ভেতর দিয়ে মসজিদের প্রবেশ করতে হয় যেটা আমাদের কাম্য নয়। এখানে যদি সরকারের পক্ষ থেকে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয় তবে এলাবাসীসহ মসজিদের মুসাল্লিদের জন্য খুবই ভাল হয়।

হাজরাকাটি মাঝপাড়া বটতলা জামে মসজিদের সম্পাদক আক্তারুজাামান বলেন, আমরা এ জলাবদ্ধতার লাঘবের জন্য বিভিন্ন মহলে অনেক চেষ্ট করেছি। জনপ্রতিনিধি আর নেতাদের প্রতিশ্রুতিই শুনে যায়, কাজের কাজ কিছুই হয় না।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নিস্তার ফারুক জানান, পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও কালভার্ট প্রয়োজন ছিল। আমি সেখানে ৬০ হাজার টাকা বারাদ্দ দিয়ে যথাযথভাবে কালভার্ট নির্মাণ করে দিয়েছি, কিন্তু স্থানীয় অধিবাসিরা ড্রেনেজ নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না দেয়ায় সেটা করা সম্ভব হয়নি। তবে ওই এলাকার পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা যাতে দ্রুত সমাধান করা যায়-এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে তা সমাধান করা হবে।



আরও খবর