ই-পেপার ফটোগ্যালারি আর্কাইভ রবিবার, ১৭ অক্টোবর , ২০২১ ● ২ কার্তিক ১৪২৮

লোহাগড়ায় কলেজ ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত নিয়ে সংঘর্ষে তিন ছাত্র আহত

Published : Wednesday 25-August-2021 21:24:12 pm
এখন সময়: রবিবার, ১৭ অক্টোবর , ২০২১ ১৮:৪৬:৪৮ pm

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি : নড়াইলের  লোহাগড়া  সরকারি  কলেজে  ছাত্রলীগ ও বহিরাগত সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়েছেন। বুধবার  দুপুর ১২টার দিকে  এ ঘটনা ঘটে। আহতদের খুলনা ও লোহাগড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী  জানায়, লোহাগড়া  সরকারি  আদর্শ  কলেজের  এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে মারপিটের শিকার হন  চরমল্লিকপুর গ্রামের  ফারুকুল ইসলামের ছেলে  পিয়াস(২০)।  এরপর পিয়াস  পক্ষের  লোকজন  কলেজের  দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ঝিকড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তার শেখের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী সজিব শেখ(২১)কে কুপিয়ে ও পিটিয়ে  জখম করে। কলেজের শিক্ষার্থীরা দ্রুত আহত পিয়াস ও সজিব শেখকে লোহাগড়া হাসাপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে। পরে  সজিব শেখকে উন্নত চিকিৎসার  জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

কলেজের  এ ঘটনার  প্রায় এক ঘন্টা পর  লোহাগড়া হাসপাতাল ক্যাম্পাসে  হামলার  শিকার হন  নোয়াপাড়া  গ্রামের সোহরাব গাজীর ছেলে  কলেজ  ছাত্র বিপ্লব গাজী (১৯)। আহত পিয়াস শেখ ও বিপ্লব গাজী  একই গ্রুপের।  মারাত্বক জখম  সজিব শেখ  লোহাগড়া উপজেলা  ছাত্রলীগের সাধারণ  সম্পাদক  গ্রুপের।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ  সম্পাদক সজীব  মুসল্লি  বলেন, কলেজে  অ্যাসাইনমেন্টের খাতা জমা দিতে যায় ছাত্রলীগ কর্মী সজিব শেখ ও তার বন্ধু সোহাগ। এসময় বহিরাগত পিয়াস তার সঙ্গীদের নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছিলেন। তাদের মধ্যে কথাকাটা কাটির এক পর্যায়ে বিএনপি- জামায়াত  সমর্থিত  পিয়াস, পলাশ, মারুফ গাজী, আব্দুল্লাহ, রহিম, দিদার, তপুসহ ৪০-৫০ জনে ছাত্রলীগ কর্মী সজিব শেখ কে কুপিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্বক  জখম করে। এদিকে, প্রতিপক্ষর নেতা তপু  ও সুরবান তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

লোহাগড়া  সরকারি  আদর্শ কলেজের  ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আকবর হোসেন জানান, কলেজের গেটের সামনে ছাত্রলীগের ছেলেদের মধ্যে বিরোধ হয়েছে শুনেছি। কলেজ ক্যাম্পাসে কোনো ঘটনা ঘটেনি।

লোহাগড়া থানার ওসি (তদন্ত) হরিদাস রায় বলেন, মারপিটের ঘটনার সাথে  সম্পৃক্ত  থাকার  অভিযোগে  তপু, ছুরবান, ছাত্রলীগের সাধারণ  সম্পাদক  সজিব মুসল্লি, মোহাম্মদ ও  মামুন কে আটক করা হয়েছিল। কিন্তু পরে উপজেলা আওয়ামী  লীগের  সভাপতির  জিম্মায়  আটককৃতদের  ছেড়ে দিয়েছি।